অদুরে সাভার বিরুলিয়া ইউনিয়নে গড়ে উঠেছে মাদকের অঙ্গরাজ্যে প্রতিটা ওয়ার্ডে রয়েছে মাদক ব‍্যবসায়ীদের অজানা প্রভাব। এলাকার প্রভাবশালী ব‍্যক্তিদের ছত্রছায়ায় মাদক ব‍্যবাসায়ীদের প্রভাব বিস্তার করেন। মাদকের প্রভাবে সমাজের ছোট বড় সকলেই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। এ মাদকে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত সমাজের উরক্তি বসয়ের শিক্ষিত ব‍্যকার যুবকেরা এছাড়া আরো রয়েছে ছোট বড় সকল শ্রেনী-পেশার মানুষ। মদকের টাকা জোগাড় করতে সমাজে চোরি-ডাকাতি ছিতাই এমনকি হত‍্যার মতো ঘটনা ঘটে থাকেন। তবে এসব চোরির মালামাল মাদক সেবিরা প্রকাশ‍্য দিবালোকে বেচাকেনা করচ্ছে। এসব কাজের জন‍্য এলাকার কিছু ভাঙ্গীরা ব‍্যবসায়ীরা দায়ী তারা মাদক সেবীদের অগ্রিম টাকাও দিয়ে থাকেন। আর একারনেই মাদক সেবিদের স‍্যাংখা দিন দিন বেড়েই চলছে। বিরুলিয়া ইউনিয়ন জুড়ে রয়েছে মাদক ব‍্যবষায়ীরাা সক্রিয় অবস্থান।

ঔদিকে পুলিশ বলছে আমরাা মাদক নির্মুলে সক্রিয়ভাবে কাজ করছি, কিন্তু এ ব‍্যাপারে স্থানীয় নেতা-জনপ্রতিনিধিরাা কথা বলতে নারাজ।

বিরুলিয়া ইউনিয়নের স্থানীয় নেতা – জনপ্রতিনিধিরা মাদককের ব‍্যাপারে কথা বলতে অনিহা প্রকাশ করে বলেনঃ আমরা জনপ্রতিনিধি মাদক কারা বিক্রি করেন কিভাবে বলব আমাদের কি বলা উচিৎ? আর কিছু কিছু ইউপি সদস্যরা বলেনঃ আমাদের কিবা করার আছে বলেন? পুলিশ প্রসাশনই অভিযান ঠিকঠাক মতো চালায় না। পুলিশ যদি কিছু না বলেন আমরা বলে কি করবো?আরেক জন ইউপি সদস্য বলেন আমার ওয়ার্ডে কোন মাদকসেবী ও মাদক ব‍্যবসায়ী নেই। অথচ তার এলাকায় রয়েছে মাদকের বিপ্তার আনাসে-কানাছে ছড়িয়ে ছিঠিয়ে রয়েছে মাদকের আড্ডা। তবে এলাকার সচেতন মহল বলছে ভিন্ন কথা।পুলিশ মাদককে সমাজ থেকে নিমিষেই দূর করতে পারে তাতে পুলিশের কোন বেগ পেতে হবেনা আমরা মনে করি। বর্তমানে আমাদের বিরুলিয়ায় মাদক সহ সব ধরনের নেশার উপদ্রব বেড়েই চলছে।বিরুলিয়া ইউনিয়নের প্রত‍্যেকটি ওয়ার্ডেই রয়েছে পেশাদার মাদক ব‍্যবসায়ী।তবে কিছু কিছু ইউপি সদস‍্য সাংবাদিকদের এ তথ‍্য নিশ্চিত করেন।অত্র ইউনিয়নের কিছু কিছু এলাকায় প্রকাশ‍্যে মাদক কেনাবেচা হয়।তারমধ‍্যে উল্লেখযোগ্য হলো মোস্তাপাড়া এলাকার বাসিন্দা হযরত আলী ও তার স্ত্রী (ইয়াবা,গাজা)। ফজলুল হক ওরফে ফজা,(চুলাই মদ)।শ‍্যামপুর আবাসনের বাসিন্দা আব্দুর রশীদ।আবাসনের সভাপতি খোকন বলেন আমার আবাসনে বর্তমানে কোন প্রকার মাদক কেনাবেচা হয়না।তবে তিনি স্বীকার করেন আগে এখানে মাদক কেনাবেচা হত।এখন আমরা এলাকাবাসী মিলে আব্দুর রশীদ ও লিয়াকতকে পুলিশে দেয়ার পরে মাদক কেনাবেচা আপাতত বন্ধ।খোন্ডা এলাকার গোপাল চুলাই মদ,গাজা ও ইয়াবা সহ সব ধরনের নেশার দ্রব‍্য সাপ্লাই দেন বলে তার স্ত্রী আমাদের প্রতিনিধি ক্রেতা সেজে ফোন করলে তাকে এ তথ‍্য নিশ্চিত করেন।

এ বিষয়ে কথা হয়,বিরুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান সুজন বলেন,আমি চেয়ারম্যান থাকাকালীন আমার ইউনিয়নে কোন প্রকার মাদক ব‍্যবসায়ীকে অশ্রুয় দেই নাই।এবং বতর্মানেই আমি মাদকের বিরুদ্ধে সোচ্চার রয়েছি ও ভবিষ্যতেও থাকব।

বতর্মান চেয়ারম্যান অসুস্থ‍্য থাকায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

সরকারের পক্ষথেকে কঠোরভাবে নির্দেশ রয়েছে মাদকের ব‍্যপারে কোন প্রকার আপোষ নাই। মাদকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিতে পারলে জেলা ছেড়ে যাওয়ার অঙ্গীকার করেন ঢাকা জেলার নবনিযুক্ত পুলিশ সুপার (এসপি) মো. আসাদুজ্জামান। ওসি বা অতিরিক্ত পুলিশ সুপাররা যদি ব্যবস্থা না নেয়, তাহলে তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। তিনি গত বৃহস্পতিবার বিকালে আশুলিয়া থানায় আয়োজিত ‘ওপেন হাউজ ডে’ আয়োজনে উপস্থিত হয়ে এলাকাবাসী ও জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনাকালে এ অঙ্গীকার করেন পুলিশ সুপার।

সভাপতির বক্তব্যে তিনি বলেন, আপনারা শুধু আপনাদের নাম্বার থেকে মেসেজ দেবেন যে, অমুক এলাকার অমুক লোক মাদক ব্যবসা করে। আপনারা যদি তাদের চেনেন তাহলে দয়া করে মোবাইলে শুধু মেসেজটা দিয়ে দেবেন। শুধু একটি মেসেজ দিন, যদি ব্যবস্থা না নেয়া হয়, তাহলে আমি পুলিশ সুপার হিসেবে এই জেলায় আর থাকবো না।

পোস্টটি শেয়ার করুনঃ