নিজস্ব প্রতিবেদক, পটিয়া
সহযোগিতা কামনা করছেন পটিয়ার গৌবিন্দারখীল ০৯ নং ওয়ার্ডের মেয়ে বেবি আকতার।৩০/০৯/২০২১ সালে রহমতুল্লাহ ইরফান এর সাথে বিয়ে হয়েছে। বিয়ের সময় অনেক টাকা খরচ করে বিয়ে দেন মেয়ের বাবা।বিয়ের কিছুদিন পরে মেয়ের উপর শুরু করেন অত্যাচার মারধর। মারধর এর কারণ জানতে চাইলে মেয়ে তখন মেয়েকে জানান ২ লক্ষ টাকা দেওয়ার জন্য তখন মেয়ে টাকা দিতে পারবেনা জানান কারন মেয়ের বাবা একজন কৃষক। তার পক্ষে এতটাকা দেওয়া সম্ভব নয়।এক পর্যায়ে জানা গেছে স্বামীর ভাই বিদেশে যাওয়ার জন্য টাকার জন্য জোর পূর্বক টাকা দাবি করেছেন। এরপর আরেকবার মারধর করে বাপের বাড়ি পাঠিয়ে দেন। বাপের বাড়ি আসার অনেক দিন পরে একটি মামলা করা হয়েছে কিন্তু মামলা করার পরেও কোন সুরাহা মিলেনি। আসামি জাবিনে বের হয়ে কোন হাজিরা না দেওয়া সত্তেও সাভাবিক জীবন কাটাছেন।

মেয়ের পাঠানো লিখিত কিছু বক্তব্য উল্লেখ করা হয়েছে,,
আমার ছেলে হওয়ার ৭ মাসে পাটাইছে আর কোন খবর নেইনি,,আমার বাচ্চা সহ হয়ছে তার খবর পযন্ত নেইনি,,, আমার ছেলের ৯ মাস চলতেছে,,শসুড় বাড়ির লোক খবর পযন্ত নিতেছে না।এক বছর বাপের বাড়ি শশুড় বাড়ির লোকের সাথে যোগাযোগ নাই।কারন ওরা সব সময় নির্যাতন করে,,, বছরের জিনিসের জন্য,,, ছোট কাট ব্যাপারের জন্য,যখন শশুড় বাড়ি থেকে এসেছি তখন কুটে মামলা করেছি,,, ৬ মাস পর ওকে ধরেছে,, ১২ দিন পর জাবিন দিল,,,তার পর থেকে আর কোন খবর নাই,,এখনো সমাধারে আসে না,, কুটে হাজিরাও দেই না,,বাবার নাম আবু বক্কর,, মায়ের নাম হোসনে আরা বেগম,,জামাইয়ের নাম রহমতুল্লাহ ইরফান,, জামাইয়ের বাড়ি পশ্চিম কানাইমাদারী শেখ চান্দের পাড়া,,,খাজা বেকারির বাড়ি,,৩নং ওযার্ড,, ইনিয়ন হল বরকল।

আমার বাবার নাম আবদুল ছালাম,,মায়ের নাম হালিমা খাতুন,,,আমার নাম বেবি আকতার,, পটিয়া,,, উওর গোবিন্দার খীল,,, সিকদার বাড়ি,, ৯ নং ওযার্ড।বিশ্বাস কর আমার বাবা অনেক কষ্ট করে আমাকে বিয়ে দিয়েছে সব সয্য করেছি কারন মেয়েদের একবার বিয়ে হয় বার বার না,,আর আমাদের এখনো ছাড়াছাড়ি হয়নি,, তারপরেও সে আমার খবর নেই না তাতে দুঃখ নাই,, দুঃখ শুধু একটায়,, ওরা নিজের রক্তের খবর পযন্ত নেই না,,, ওরা এত অমানুষ বলার মত না,,, আমি মামলা করেও কোন বিচার পাইনি,, আমার কপাল টাই খারাপ,,, কি করবো কিছু তো বুঝতেছি না,, ছেলেটা দিন দিন বড় হতেছে,, ওকে আমি এরকম চলতে থাকলে কি করে মানুষ করবো বল,,ওর তো একটা জম্ম পরিচয় আছে তাই না,,, বিশ্বাস কর ৯ মাসে ৯টা দিন ও আমার ছেলে ভালো তাকেনি।মামলা করেছি একটা সমাধানের জন্য বাট আমি তো কোন বিচার পাইনি।মামলা করেছি যখন ওরা আমাকে আমার বাচ্ছা গরবে ছিল তখন ওরা আমাকে মানসিক ভাবে নির্যাতন করে বাপের বাড়িতে পাটিয়ে দিল,,,ওরা বলেছে বাচ্ছা হওয়ার ৪০ দিন পর আমাদের নিয়ে যাবে,,দেখতেছি বাচ্চা হয়ছে কেও দেখতে আসেনি,, আমি নিজে কল করি,,স্বামি বলে ওর কোন বউ নাই ছেলে নাই,,,ও নাকি পাগল নই,, আমি নাকি স্বপ্ন দেখতেছি,,, আর ও বলে তার পরিবার আমাকে নিয়ে যাবে না,,,আমি বলি তুমি কি বল,,,সে বলে দোকান ঘর ছাড়বে না,,, তারপর আমি বলে তাহলে আমাকে ছাড়তে হবে, আমার মোবাইল থেকে কল না যাই মত করে দিল,,,একটা অচেনা ইমু খুলে আমার আর বাচ্চার ছবি দিই মায়া লাগার জন্য তার পরেও কোন খবর নাই,,কোন কল দেই না,,ছেলের কোন খরচ দেই না,, আমি কি করবো তুমি বল,,বিয়ে হয়ছে ১ বছর ৬ মাস,, এখন জানুয়ারির ২০ তারিখ আসলে এক বছর হবে,,বাড়িতে আসা যাওয়ায় মনে কর শশুড় বাড়িতে ৬ মাস মত ছিলাম,,,আমাকে আমার ননদ দেবর শাশুড়ি শশুড় স্বামি সবাই আমাকে মানসিক ভাবে নির্যাতন করে,, ওরা আমার ২ মাস থাকতে একটা বাচ্চা নষ্ট করে দিল,, আরেকটা হয়ছে সেটাও মেরে পেলতে চাইছে কিছু হতে না হতে পেটে লাতি মারতো,,, আল্লাহর রহমতে আমার বাচ্চা এখন ভালো আছে,,দুনিয়াতে এনেছি ঠিক,, দুই দিন ও ভালো তাকে না,,

আমি সবার কাছে সহযোগিতা কামনা করছি, এবং একটা সুষ্ঠ বিচারের দাবি জানাচ্ছি। সবার সহযোগিতায় আমি পেতে পারি একটা সুষ্ঠ বিচার।সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা থাকবো।

পোস্টটি শেয়ার করুনঃ