জাকির বলেন,আমার বাবা একজন রিক্সা চালক ছিলেন।

ছোটবেলায় থেকে দেখে এসেছি আমার বাবা ছিলেন একজন রিকশাচালক। বাবার কষ্ট দেখে বুঝতে পারতাম যে রিক্সা চালানো খুবই কষ্টকর কাজ।

১৯৯২ সনে বাবা হঠাৎ অসুস্থ হয়ে যায় আমরা পাঁচ ভাই বোন বাবা মা মোট ৭ সদস্যের পরিবার নিয়ে আমাদের চলা খুব সমস্যা হয়ে যায় তখন আমি বাবার বড় ছেলে স্কুলে যাই একদিন সকালে স্কুলে যাইতে মাকে বললাম ভাত দাও,তখন মা বললেন স্কুল থেকে ঘুরে এসে খাও বাবা। স্কুল থেকে বেলা ২:০০ টায় ফেরত এসে দেখতেছি বাসায় ভাত রান্না করার কোন ব্যবস্থা নাই। ঐ দিন থেকে আমি   বাবার অনুমতি নিয়া রিক্সা চালানো শুরু করলাম। ১৯৯২ সালের বাহিরে রিক্সা চালাইয়া ৩০ টাকা কামাই করলাম ২ কেজি চাউল কিনলাম ২০ টাকা দিয়া আলু বেগুন কিনলাম ১০ টাকা দিয়া। বাবা অসুস্থতা থাকায় টানা তিন মাস  আমি রিক্সা চালানোর পর আর পারছিলাম না। সেই থেকে রিক্সা চালানো শুরু করলাম চালানোর অবস্থায় দেখি অবহেলিত শ্রমিকরা রাস্তায় ঘাটে অনেকে নির্যাতিত করে তখন আমি সিদ্ধান্ত নিলাম রিশা শ্রমিক ইউনিয়নের নির্বাচন করে আমি নেতা হবো ২০১২ সাল আমি নির্বাচনে দাড়াই, শ্রমিকরা আমাকে বিপুল ভোটে নির্বাচিত করলো শ্রমিকদের দের মাঝে আপাতত বিপদে কাজ করা শুরু করলাম বেঁচে থেকে শ্রমিকরা বারবার আমাকে নির্বাচিত করে আমি আবারও সড়ক সম্পাদক পদে শ্রমিকদের দোয়া ও সহযোগিতা নিয়া শ্রমিকদের দাবী আদায়ে  পাশে দাঁড়িয়ে কাজ করার অঙ্গীকার  বদ্ধ।  ভোট চাই  ভোটারের, দোয়া চাই সকলের।

পোস্টটি শেয়ার করুনঃ