মানিক হোসেন, রাজশাহী প্রতিনিধি :
রাজশাহীর হোসেনিগঞ্জ এলাকায় জামাই কায়েস হোসেন তন্ময় শ্বশুর বাড়িতে গিয়ে শ্বশুর মোঃ সামাদ হোসেন ও বউ শম্পা খাতুনের ওপর হামলা এবং বাড়ী ভাংচুরসহ ছিনতায় করেছে বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় আহত হয়ে স্ত্রী শম্পাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

শুক্রবার (১৬ ডিসেম্বর) দুপুর পর মোঃ সামাদ হোসেন ও মেয়ে শম্পা খাতুনের সাথে এমন ঘটনা ।

জামাই কায়েস হোসেন তন্ময় (২৭) ওই এলাকারই রফিকুল কাইয়ুমের ছেলে।

প্রতিবেদকের সরেজমিনে জানা যায়, কায়েস ও শম্পা ১২ বছর পূর্বে প্রেম ভালোবাসা করে বিয়ে করেছিলেন। বিয়ের পর কায়েসের পরিবার মেনে নিলেও যৌতুকের জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে। যৌতুক হিসেবে ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা ও ২ ভরী স্বর্ণ দেয়া হয় ছেলের পরিবারকে। তারপরও শ্বশুর বাড়ীতে সংসারে অশান্তির কারণ হয়ে দাড়ায় অর্থ। বারবার অর্থ চাওয়ায় ৩ মাস আগে শ্বশুর বাড়ী থেকে বাবার বাড়ী চলে আসে শম্পা।

কারণ ছাড়াই অর্থ দাবি করতে না পারায় শুক্রবার দিন বেলা ৩টায় কায়েস হোসেন তন্ময়, তুর্য ও তৌকির ৩ জন এসে শ্বশুর মোঃ সামাদ হোসেনের মুদি দোকানে হানা দেয়। শ্বশুর মোঃ সামাদ হোসেনের দোকান থেকে এন্ড্রয়েড ফোন, ৩০ হাজার টাকা ছিনতাই করে। ওই সময় মারধরসহ দেশীয় অস্ত্র হাঁসুয়া দিয়েও হামলা করে শ্বশুরের ওপর। এতে শ্বশুর জখম হয় বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান।

শম্পার ভাই শাহীন জানান, সন্ধ্যার দিকে পুনরায় কায়েস হোসেন তন্ময় হোল্ডিং নম্বর ২৬৫ শ্বশুর বাড়ীতে ৫০ জনের বেশি লোক নিয়ে এসে হামলা করে। ওই সময় বাড়ীঘর, বৈদ্যুতিক মিটার ভাংচুর ও শম্পার ওপর হামলা করে। এতে শম্পা আহত হয় এবং তাঁরা চলে গেলে শম্পাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের ওসিসিতে ভর্তি করা হয়।
উল্লেখ্য, দেড় মাস আগেই জামাই ৩৪ কেজি গাঁজার মামলায় কারামুক্ত হয়েছে।

এমন অভিযোগে শম্পার স্বামী কায়েস হোসেন তন্ময় বলেন, আমার মেয়ে কানিজ ফাতেমা তন্বী(৯) কে নিতে গিয়েছিলাম সন্ধ্যায়। কিন্তু, তারা না দিলে থানায় গিয়ে আমি জিডি করেছি।
বেলা ৩টায় সময় আমার ভাইয়েরা গিয়েছিল শ্বশুরের কাছে পুরনো একটা প্রয়োজনে।

পোস্টটি শেয়ার করুনঃ