স্টাফ রিপোর্টার ( রংপুর)

গংগাচড়ায় নোহালী ইউনিয়নে ফোটামারী এলাকায় আবারও ঘটে গেল আরো এক প্রেম কাহিনী। প্রেমিক মোঃ খালেকুজ্জামান পিতা মোঃ খলিলুর রহমান এবং প্রেমিকা মোছাঃ মোরছালিনা খাতুন পিতাঃ মনির উদ্দিন। দুইজনে গত ২৫/৪/২০২৩ ইং তারিখে রংপুর কোটে বিয়ে করার পর ঢাকাশহর চলে যায় এবং সুন্দর ভাবে ঘরসংসার শুরু করে।এবং এরেই মধ্য মেয়ে বাবা নারী শিশু আইনে প্রেমিকের পরিবারের উপর মামলা করে কিন্তুু ছেলে ও মেয়েকে মেয়ে পরিবার খুজে না পেয়ে ছেলের পরিবারের উপর মেয়ে পরিবারের লোকজন চাপ সৃষ্টি করে এবং একদিন মেয়ে পরিবারের লোকজন ছেলের মাকে জোর করে পুলিশের কাছে ধরে দেয়।এ কথা শোনার পর ছেলে এবং মেয়ে বুদ্ধি করে মেয়ের বাবার কাছে মেয়ে নিজেই মোবাইল করে বলে তোমরা এগুলো কি শুরু করছেন এরকম করলে আমি তোমাদের উপর মামলা করবো। একথা বলে মোবাইল কেটে দেয় এবং এভাবে দুইদিন কথা বললে মেয়ে বাবা পুলিশকে মোবাইল নাম্বার দেয় পরে পুলিশ নাম্বার টেকিং করে গাজীপুর চন্দ্রারা এলাকা থেকে ধরে গংগাচড়ার থানাপুলিশ এর কাছে হস্থান্তর করে এবং কোটে উঠায় মেয়ে জবানবন্দি দেয় যে আমি সইচ্ছায় মোঃ খালেকুজ্জামানকে বিয়ে করি। কিন্তুু আমি এখন মা বাবার সাথে যাবো সাবালক হওয়া পর মোঃ খালেকুরজ্জামানকে বিয়ে করবো। আমাকে কেউ অপহরণ করে নাই একথা বলে প্রেমিকা মোছাঃ মোরছালিনা খাতুন পড়ে প্রেমিকে জেলে দেয় আদালত প্রেমিক মোঃ খালেকুরজ্জামানকে ১৫-২০ দিন পড় আদালত জামিন দেয়। এর জের ধরে আজ সোমবার বেলা আনুমানিক ১২ টার দিকে প্রেমিক মোঃ খালেকুরজ্জামান ও তার তার বাড়িব পাশে পানি উন্নয়ন বোডের বাধে দারিয়ে থাকলে তার বিবাহিত বউ প্রেমিকা পাশ দিয়ে হেটে যায়। এমত অবস্তায় প্রেমিকা পরিবারের ২০-২৫ জন লোক এসে প্রমিক মোঃ খালেকুরজ্জামানকে এলোপাথাড়ি ভাবে মারপিট শুরু করে পড়ে মোঃ খালেকুরজ্জামানের বাড়িতে মারামাড়ি শব্দ শুনতে পেয়ে প্রেমিক মোঃ খালেকুরজ্জামানের বাবা মা ও বড় ভাই ছাড়াতে আসলে তাদেরকে ও এলোপাথাড়ি মার ধোর করে এতে প্রেমিক মোঃ খালেকুরজ্জামানকে মাথা আঘাত করে মাথার মগজ দেখা যায় এবং অচেতন হয়। তার বড় ভাইয়ের হাতেকামার আঙ্গুল ভাঙ্গে এবং তার বাবা মাকে অসাভাবিক মারধোর করে চলে যায়।পড়ে স্হায়ীলোকজন এসে উদ্ধার করে গংগাচড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স আসলে সেখানকার চিকিৎসক রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান।তারা এখন রংপুর মেডিকেলে কলেজে চিকিৎসাধীন।

পোস্টটি শেয়ার করুনঃ