সুমন,মোংলা(বাগেরহাট)সংবাদদাতা :
মোংলায় পশুর নদীতে বিদ্যাবাহন এলাকায় ঝড়ের কবলে পড়ে ইট বোঝাই একটি ট্রলার ডুবির ঘটনা ঘটেছে।
বুধবার রাতে উপজেলা বুড়িরডাঙ্গা বিদ্যাবাহন এলাকায় পশুর নদীতে এ ঘটনা ঘটে। ট্রলারে থাকা ৩ নাবিকের মধ্যে দুইজন সাঁতার কেটে কিনারে উঠতে পারলেও এখনো একজন নিখোজ রয়েছে।তার নাম মোকছেদ হাওলাদার (৬০)। তবে সকাল থেকেই উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছে ফায়ার সার্বিসের দুটি ইউনিট, নৌ-পুলিশ, ও কোস্টগার্ড। ফায়ার সার্ভিসের বাগেরহাট জেলা উপ-সহকারী পরিচালক সাইদুল আলম চৌধুরী জানায়, ২৭ মার্চ বুধবার রাতে খুলনার ১ নম্বর কাস্টমস ঘাট থেকে ৩০ হাজার ইট বোঝাই করে মটবাড়িয়ার শাপলা বাজারের উদ্দোশ্যে রওয়ানা হয় “এমভি মোকামিয়া দরবার শরিফ” নামের ইঞ্জিন চালিত ট্রলার। পশুর নদী মোংলা বুড়িরডাঙ্গা বিদ্যারবাহন এলাকার পৌঁছালে হঠাৎ ঝড়ের কবলে পড়ে ট্রলারটি ডুবে যায়। এসময় দুইজন সাঁতার কেটে কিনারে উঠতে পারলেও মোকছেদ হাওলাদার নামের এক নাবিক এখনও নিঁখোজ রয়েছে। ঘটনার পর পরই মোংলা ইপিজেড ও বাগেরহাট ফায়ার সার্ভিস ২টি ইউনিট, নৌ-পুলিশ ও কোস্টগার্ড উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছে। সকাল থেকে এখন পর্যন্ত নিঁখোজ নাবিকের সন্ধান করতে না পারলেও ট্রালারটি ডুবন্ত স্থান নির্ধারিত করতে পেরেছে বলে জানায় ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা। ট্রলার ডুবিতে প্রায় অর্ধ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে জানায় প্রানে বেঁচে আসা অন্য নাবিকরা।
ফায়ার সার্ভিসের জেলা উপ-সহকারী পরিচালক আরো জানায়, খবর পাওয়া মাত্রই মোংলা ইপিজেড’র একটি ইউনিটের ডুবুড়ি দল উদ্ধার অভিযান শুরু করে। পরে দুপুরের দিকে বাগেরহাট থেকে আরো একটি ইউনিট যোগ দেয় নিঁখোজ নাবিক উদ্ধার অভিযানে। তবে নদীর পানির প্রচন্ড স্রোতের কারনে গভীরে যাওয়া খুবই কষ্টকর, তাই উদ্ধার কাজে কিছুটা বিলম্ব হচ্ছে। তবে যতক্ষন পর্যন্ত ডুবন্ত ট্রলার উদ্ধার ও নিঁখোজের সন্ধান না হয় ততক্ষন পর্যন্ত উদ্ধার অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।

পোস্টটি শেয়ার করুনঃ