সবুজ কুমার
নওগাঁ জেলা প্রতিনিধ:

নওগাঁর মান্দা উপজেলার সতিহাট বাজারে জমে উঠেছে কোরবানির পশু কেনাবেচার হাট। প্রান্তিক খামারিরা ষাঁড় গরু মোটাতাজা করে বিক্রির জন্য নিয়ে আসছেন হাটে। বিক্রিও জমে উঠেছে। ক্রেতাদের অভিযোগ, দাম বেশি আর বিক্রেতাদের দাবি, আশানুরূপ দাম পাচ্ছেন না তারা।
গ্রামের প্রান্তিক মানুষ লাভের আশায় দেশি জাতের গরু মোটাতাজা করে বিক্রির জন্য নিয়ে আসছেন হাটে। ৪০ হাজার টাকা থেকে শুরু করে ৫ লক্ষ টাকার বিভিন্ন আকারের ষাঁড় গরু কেনাবেচা চলছে হাটে।
তবে হাটে নজর কেঁড়েছে সবার কোরবানির দুটি গরু লাল বাদশা ও করিমন।
এদিকে মান্দা উপজেলার কালিকাপুর ইউনিয়নের বড় বেলালদহ গ্রামের ক্রেতা “মমতাজ হোসেন” বলেন আমি কোরবানির গরু করিমন’কে ২ লক্ষ ৭৫ হাজার টাকায় ক্রয় করলাম ধামুরহাটের এক গরু খামারির কাছ থেকে।
অপরদিকে মান্দা উপজেলার কাঞ্চন বাজার থেকে আসা “নাজমুল ইসলাম” এক খামারি বলেন ‘লাল বাদশা’ নামে কোরবানির গরু হাটে এনেছেন। তিনি গরুর সর্বোচ্চ দর হেকেছেন ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত। এটি হাটের সবচেয়ে বড় গরু। তার ভাষ্যমতে ৪ লাখ ত্রিশ হাজার থেকে ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকার মধ্যে হলে বিক্রি করে দেবেন ‘লাল বাদশা’কে।
তবে অনেক ক্রেতা ‘লাল বাদশার’ আড়াই লক্ষ টাকা থেকে শুরু করে সাড়ে তিন লক্ষ টাকার কিছু বেশি দর হাকছেন।
এদিকে হাটের বিক্রেতা ও ক্রেতার নিরাপত্তায় ও জাল টাকা রোধে মান্দা উপজেলা প্রশাসন থেকে কঠিন ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, এমনটাই দাবি জানিয়েছেন মান্দা থানার হাটে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশ কনস্টেবল “মতিউর রহমান”।
হাটের ইজারাদার “মাজেদ” বলেন আমরা প্রশাসনের নির্ধারিত মূল্যেই ইজারা টোলের খাজনা আদায় করছি, তাই কোন ক্রেতা বা বিক্রেতার অভিযোগ নেই। তাছাড়া তিনি আরো বলেন; এটি একটি অনেক পুরনো হাট, আমরা এই হাটের ঐতিহ্য রক্ষার্থে উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছি।

পোস্টটি শেয়ার করুনঃ