মাদারীপুর জেলা প্রধান

মাদারীপুর জেলার মস্তফাপুর ইউনিয়নের খৈয়ার ভাঙ্গা গ্রামের আবু চৌকিদারের বাড়িতে জমিজমা নিয়ে পূর্ব শত্রুতার জেরে দ্বন্দ্বে মারাত্মক ভাবে আহত হয়েছে একজন। উক্ত ঘটনাকে কেন্দ্র করে বাদী মোসাঃ রাবেয়া বেগম,পিতাঃ লতিফ হাওলাদার, সাং খৈয়ারভাঙ্গা,মস্তফাপুর,মাদারীপুর,তিনি মাদারীপুর সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। উক্ত মামলার আসামীদ্বয় হলেন ১। রব মৃধা (৬০),পিতাঃ মৃতঃ রুস্তম মৃধা ২। তমাল চৌকিদার (১৯) পিতাঃ আবু চৌকিদার ৩। ইসলাম চৌকিদার (৫০),পিতা,মৃতঃ সলেমান চৌকিদার ৪। জুয়েল চৌকিদার পিতাঃ- শাজাহান চৌকিদার ৫। সালাউদ্দিন আকন,পিতাঃ মৃত সেকেন আকন ৬। শিউলি বেগম( ৩০) পিতাঃ- অদুদ হাওলাদার ৭। পুতুল বেগম (৩৫)
স্বামীঃ এসলাম চৌকিদার ৮। সীমা বেগম ( ৩৬) স্বামীঃ রুহুল আমিন চৌকিদার, সর্বসাং খৈয়ার ভাঙ্গা,মস্তফাপুর,মাদারীপুর। এ বিষয়ে বাদী মোসাঃ রাবেয়া বেগমের সাথে কথা বলে জানা যায় যে,২নং বাদীর পিতা মোঃ আবু চৌকিদারের বাড়ির পূর্ব পাশে আমার স্বামীর পৈত্রিক সম্পত্তি নিয়ে দীর্ঘদিন যাবত বিরোধ চলে আসিতেছে। উক্ত সম্পত্তিতে আমরা বিভিন্ন ধরনের গাছপালা ও বাঁশ ঝাড় রোপন করে ভোগ দখল করিয়া সুখে-শান্তিতে বসবাস করাকালীন অবস্থায় বিবাদীগন আমাদের উক্ত সম্পত্তির প্রতি লোভের বর্শবতী হইয়া জোর পূর্বক দখল করিয়া বাঁশ কাটার জন্য সুযোগ খুজতেছিল ও বিভিন্ন সময় আমাদেরকে ক্ষয়ক্ষতি করার জন্য অপচেষ্টা চালাচ্ছিল। অতঃপর ১৭/০৯/২০২২ ইং রোজ শনিবার বেলা ১২ঃ০০ ঘটিকায় আবু চৌকিদারের বাড়ির পূর্ব পাশে পুকুরের উত্তর পূর্ব কোনে বাঁশ কাটিতে থাকিলে আমি বাঁধা প্রদান করিলে ১নং বিবাদী আমাকে নোংরা ভাষায় গালিগালাজ করে। আমি প্রতিবাদ করিলে ১নং বিবাদীর হুকুমে সকল বিবাদীগন আমাকে এলোপাতাড়ি কিল, ঘুসি ও লাথি মারিয়া শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম করে। এ ব্যাপারে বাদীর ভাগ্নী আকলিমার সাথে কথা বলে জানা যায় যে, আমি আমার মামীর চিৎকার শুনে কাছে গেলে ২নং বাদী তমালের হাতে থাকা দা দিয়ে মাথার ডান পাশে কোপ দেওয়ায় আমি মাটিতে লুটিয়ে পড়ি এর পর আমাকে হাসপাতালে চিকিৎসারত অবস্থায় বুঝতে পারি আমি হাসপাতালে,বাকি ঘটনার সময় বেহুশ ছিলাম। উক্ত ঘটনার জন্য ভুক্তভোগী পরিবার সরকারের কাছে সুষ্ট বিচার দাবী করেন। স্থানীয় সুএে জানা যায় যে, উক্ত জায়গা নিয়ে দীর্ঘদিন যাবৎ দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলিয়া আসিতেছে, এলাকার স্থানীয় প্রতিনিধিরা এর সুষ্ঠ সমাধানের জন্য শত চেষ্টা করলে ও বিবাদীগন তাদের সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করায় তারা উক্ত বিষয়টি সামাধান করতে ব্যার্থ হয়। উক্ত মামলার সাব – ইন্সপেক্টর মোঃ হিমেলের সাথে মুঠোফোনে কথা বলে জানা যায় যে, উভয় পক্ষেরই ২ টি ভিন্ন ভিন্ন মামলা দায়ের করা হয়,আমি উক্ত বিষয়টি আমলে নিয়ে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ ভাবে তদন্ত করে আসামীদের বিচারের আওতায় আনার চেষ্টা চালাচ্ছি।

পোস্টটি শেয়ার করুনঃ