মোঃ কামাল হোসেন, বিশেষ প্রতিনিধি

মণিরামপুরের ১৫ নং কুলটিয়া ইউনিয়নের বি,এইচ এম এস নিম্ন মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে ঘুষের মাধ্যমে নিয়োগপ্রাপ্ত ৪র্থ শ্রেনীর ৩জন কর্মচারীর নিয়োগ বাতিলের দাবিতে মানববন্ধনসহ বিভিন্ন সময় প্রিন্ট ও অনলাইন পত্রিকায় একাধিক সংবাদ প্রকাশিত হলেও, কতৃপক্ষের পক্ষ থেকে নেওয়া হয়নি কোন তদন্ত পূর্বক পদক্ষেপ। ফলে ওই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সভাপতি ও প্রধান শিক্ষকসহ নিয়োগ বানিজ্যের সাথে অবৈধ ভাবে জড়িত ব্যক্তিরা রয়েছে বহাল তবিয়তে। ফলে ওই স্কুলের অভিভাবকসহ এলাকাবাসীর মাঝে প্রশ্ন দানাবেঁধেছে ওই দুর্নীতিবাজ সভাপতি ও প্রধান শিক্ষকএর খুঁটিরজোর কোথায়। এলাকার একাধিক অভিভাবক সুশীল সমাজের ব্যক্তিরা, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও মাননীয় শিক্ষা মন্ত্রী মহোদয়ের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। উল্লেখ ওই শিক্ষা প্রতিষ্টানের সভাপতি ও প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অনিয়ম দূর্নীতি ও নিয়োগ বানিজ্যের অভিযোগে এলাকার অভিভাবক ও সুশীল সমাজ মানববন্ধনসহ একাধিক দপ্তরে অভিযোগ করার পরেও সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষ কোন পদক্ষেপ গ্রহন করেনি। এব্যাপারে জাতীয় ও আঞ্চলিক এবং একাধিক অনলাইন পত্রিকায় তথ্য সংযুক্ত নিউজ প্রকাশিত হলেও অজানা কোন কারণে নেওয়া হয়নি কোন আইনগত পদক্ষেপ। জানা গেছে, অত্র বিদ্যালয়ে ৩টি পদে প্রধান শিক্ষক সমিতব বিশ্বাস, সহকারী শিক্ষক অজিত মন্ডল ও সভাপতি হেমন্ত কুমার বৈরাগীর বিরুদ্ধে ঘুষ নিয়ে অযোগ্য ব্যক্তিকে নিয়োগ প্রাপ্ত ৪র্থ শ্রেনীর কর্মচারী হিসাবে ৩ জনকে অফিস সহকারী , নৈশ প্রহরী ও নিরাপত্তাকর্মী পদে নিয়োগ করা হয়। তথ্য অনুসন্ধানে জানা গেছে,স্থানীয় ইউপি সদস্য বিদ্যুৎ বৈরাগী ও এলাকাবাসী জানান- ২৪ শে জানুয়ারী ৩ জন চতুর্থ শ্রেনীর কর্মচারী নিয়োগ করা হয়। অনুমানিক ৪০ লক্ষ টাকা নিয়ে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। গ্রামবাসীর দাবী না মানায় ২৬ জানুয়ারী জেলা প্রকাশক বরাবর ও মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস বরাবর এলাকাবাসীরা লিখিত অভিযোগ করেন। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে গ্রামবাসীর আকুল আবেদন এই নিয়োগ বাতিল করা এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নিকট দাবী এই ঘুষের মাধ্যমে নিয়োগ বাতিল করা হোক। তথ্য সূত্রে আরো জানা গেছে, বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ করার কারণে ইউপি সদস্য বিদ্যুৎ বৈরাগীর স্ত্রী অর্পনা বিশ্বাসকে স্কুল চলাকালীন সময়ে বিভিন্ন ভাবে হেনস্তা করা হচ্ছে। খারাপ আচরণ অব্যাহত থাকায় হরিচাদ বৈরাগী স্কুলে গিয়ে প্রতিবাদ জানানোর পরেও তাদের মানুষিক নির্যাতন করা বা খারাপ উক্তি করা বন্ধ হয়নি। ফলে ওই স্কুলে চাকরি করা অর্পণা বিশ্বাসের দ্বায় হয়ে পড়েছে। সরেজমিনে আরো জানা গেছে, নৈশ প্রহরী পদে যাকে চাকরী দেওয়া হয়েছে প্রনব বিশ্বাস এই পর্যন্ত রাতে ডিউটি করেন না এমনকি রাতে আলো জ্বালানো থাকে না,এবং স্কুলের সামনে গাজাখোরদের আড্ডা হয়। এব্যাপারে এলাকাবাসী ও অভিভাবক মহল জানিয়েছেন, আমরা মানববন্ধন করেছি এবং নিয়োগ বাতিল না হওয়া পর্যন্ত আমাদের কার্যক্রম চলমান থাকবে। এবিষয়ে মনিরামপুরের বি,এইচ,এম,এস নিন্ম মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের সভাপতি হেমন্ত বৈরাগীর মুঠোফোনে ০১৭১৪৫৯৭০৪৩ নং একাধিক বার ফোন করলেও তিনি ফোন রিসিভ করেনি। এব্যাপারে মনিরামপুর উপজেলা শিক্ষা অফিসার বিকাশ চন্দ্র সরকার বলেন, এব্যাপারে আমার কাছে কোন তথ্য নেই, খোঁজ নিয়ে দেখে জানাতে পারবো।

পোস্টটি শেয়ার করুনঃ