বেতন বোনাস ডুকেনি ২০০ শত শ্রমিকের পকেটে। রাষ্টের দায়িত্ব কি?শ্রমিকদের দায়িত্ব কেউ নিল না। মালিকের প্রতারনার স্বীকার-200 শত শ্রমিক। বেতন-বোনাস নেই, ঈদ-আনন্দ অনিশ্চয়তায়। প্রতিবাদ সমাবেশ করার পরেও কোন লাভ হল না।কারখানাটি গাজীপুরের মালেকের বাড়ি,শরিফপুর রোড,গাছা থানাধীন এস্ট্রো স্টীচ আর্ট লিঃ কারখানাটিতে বর্তমান শ্রমিক সংখ্যা প্রায় ২০০ শত। পূর্বঘোষিত ত্রিপক্ষীয় চুক্তি অনুযায়ী বেতন দেয়ার কথা ছিল আজ ০৬/০৭/২০২২ ইং তারিখে বিকাল ৩.৩০ ঘটিকায় কিন্তু দুইদিন আগে থেকেই ফোন রিসিভ করছেন না মালিক। এর আগে গত- ১৩/০৬/২০২২ ইং তারিখ রোজ সোমবার সকাল ১১.০০ ঘটিকায় সময় কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর,উপমহাপরিদর্শক- টঙ্গী,গাজীপুর কার্যালয়ের সামনে শ্রমিকরা মিছিল সহকারে এসে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন। এরপর গত-২৬/০৬/২০২২ ইং তারিখে কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর,গাজীপুর কার্যালয়ে সহকারী উপমহাপরিদর্শক,মোতালেব মিয়ার সভাপতিত্বে ১০ জন শ্রমিক এবং তিন জন শ্রমিক নেতা এবং কারখানার ডিরেক্টর ইমন রহমান শিশির এর উপস্থিতিতে একটি একটি ত্রিপক্ষীয় চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় চুক্তিতে উল্লেখ্য ছিল এপ্রিল মাসের পনের দিনের মজুরি আগামী ০৬/০৭/২০২২ ইং তারিখে পরিশোধ করিবেন ঈদ পরবর্তী ২০ দিনের মধ্যে সমস্ত পাওনাদি পরিশোধ করিবেন মর্মে মালিকপক্ষ স্বাক্ষর করেন। কিন্তু চুক্তি বাস্তবায়নে মালিকপক্ষ সহ সংশ্লিষ্ট কেউই কোনো দৃশ্যমান উদ্যোগ গ্রহণ করেন নাই। এর আগে সমস্যা সমাধানের লক্ষে বিজিএমইএ সভাপতি বরাবর,জেলা প্রসাশক-গাজীপুর, শিল্প পুলিশ-২, কলকারখানা অধিদপ্তর,গাজীপুর, সংশ্লিষ্ট গাছা থানা এবং প্রতিষ্ঠানের মালিক বরাবর লিখিত দরখাস্ত দিয়েছে শ্রমিকরা কিন্তু কোন সমাধান না পাওয়ায় কারখানার সামনে প্রতিবাদ সমাবেশের ডাক শ্রমিকদের। শ্রমিকরা অভিযোগ করে বলেন ঈদের আগে বহুবার শ্রম অসন্তোষ তৈরি হয়েছিল পরবর্তিতে বেতন-বোনাস পরিশোধ সংক্রান্ত একটি ত্রিপক্ষীয় চুক্তি হয় চুক্তি অনুযায়ী ঈদুল ফিতরের বোনাস গত 27 এপ্রিল 2022 ইং তারিখে পরিশোধ করার কথা থাকলেও আজও পর্যন্ত তা পরিশোধ করেনি মালিকপক্ষ। মালিক পরিকল্পিত ভাবে শ্রমিকরা ঈদে ছুটিতে থাকা অবস্থায় গত-১৪/০৫/২০২২ ইং তারিখে কারখানাটি লে-অফ ঘোষণা করেন মালিকপক্ষ। ঈদুল ফিতরের বোনাস,এপ্রিল মাসের বেতন, মে মাসের বেতন, সামনের ঈদুল আযহার বেতন বোনাস পরিশোধ এবং পরিকল্পিত ভাবে লে- অফের প্রতিবাদ জানাই। এ সময় শ্রমিকরা অভিযোগ করে বলেন লে- অফে রাখা কারখানা থেকে মেশিন পত্র সরানোর অভিযোগ মালিকের বিরুদ্ধে প্রায় ৩০ টা সরিয়েছেন সকল সরকারী দপ্তরে লিখিত দরখাস্ত দেওয়ার পরেও সমাধানে এগিয়ে আসছে না কেউ গত- ২০/০৬/২০২২ ইং তারিখে কলকারখানায় বাংলাদেশ শ্রম আইন-২০০৬ এর ১২৪(ক) অনুযায়ী আপোষ মিমাংশার ডাকে যায়নি মালিক পক্ষ,রিজাইন/ চাকুরীচ্যুত/ মাতৃত্বকল্যান পাওনাদি পাবেন অনেক শ্রমিক অনেকেই পাওনা আদায়ে দারে দারে ঘুরছেন। আজও বেতন পেলেন না শ্রমিকরা খালি হাতেই বাসায় ফিরলেন তারা -০৬/০৭/২০২২ ইং।

পোস্টটি শেয়ার করুনঃ