মাদারীপুরের কালকিনিতে বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষনে অভিযোগ পাওয়া গেছে।এ ঘটনায় ধর্ষিতা নিজেই বাদি হয়ে থানায় মামলা দায়ের করে। মামলার পর থেকে প্রতারক ধর্ষক পলাতক রয়েছে।
পুলিশ ও ভুক্তভোগী সুত্রে জানা যায়,মাদারীপুরের ডাসার উপজেলার কাঁজীবাকাই ইউনিয়নের দক্ষিন মাইজপাড়া গ্রামের মোঃ শওকত ফরাজীর বখাটে ছেলে মোঃ রাশেদ ফরাজী(১৯)পার্শ্ববর্তী এলাকার এক অসহায় কৃষক পরিবারের মেয়েকে বিয়ের প্রলোভনে দীর্ঘদিন যাবৎ ধর্ষন করে আসছে।
গত ২৭-০৮-২২ইং তারিখ রোজ শনিবার রাতে মেয়ের চাচার বিল্ডিং এর ছাদে নিয়ে বিয়ে করার প্রস্তাব দিয়ে ঐ অসহায় কৃষকের মেয়েকে ধর্ষন করেন লম্পট রাশেদ ফরাজী। ধর্ষন শেষে ধর্ষক রাশেদ পালিয়ে যাওয়ার সময় ধর্ষিতা রাশেদকে ঝাপটে ধরেন এবং তাকে বিয়ের কথা বললে ধর্ষক রাশেদ ধর্ষিতার গলা চেপে ধরে। এসময় নিজেকে বাচাতে ভুক্তভোগী আত্মচিৎকার করলে, আশপাশের লোকজন এসে রাশেদকে আটক করেন।
ভুক্তভোগী পরিবারের অসহাত্বের সুযোগে অভিযুক্ত ধর্ষক পরিবার প্রভাবশালী বিত্তবান হওয়ায়,বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার জন্যে সালিস মিমাংসার কথা বলেন এলাকার কথিত প্রভাবশালী মহল সময় ক্ষেপন করে ধর্ষককে পালিয়ে যেতে সহায়তা করেন বলে অভিযোগ পাওয়া যায়। ঘটনা ঘটার ৬ দিন পেরিয়ে গেলেও কোন সুরাহা না পেয়ে,গতকাল ২-৯-২২ইং রোজ শুক্রবার ভুক্তভোগী পরিবারটি থানায় গিয়ে ধর্ষক রাশেদের বিরুদ্ধে ধর্ষিতা নিজেই বাদি হয়ে ডাসার থানায় একটি ধর্ষন মামলা দায়ের করেন।
ভুক্তভোগীর পিতা বলেন, ছেলের পক্ষের লোকজন মিমাংসা করে দিবে বলেছে আর দেয় নাই। ধর্ষকের মাতা মাহিনুর বেগম বলেন, আমার ছেলে নির্দোষ,কাজীবাকাই ইউয়িনের চেয়ারম্যান নুর মোহাম্মদ মিমাংসা করে দিবে বলেছে। এ ব্যাপারে ডাসার থানার ওসি মোঃ হাসানুজ্জামান বলেন,আমার কাছে আসলে,মামলা নিয়ে ভিকটিমকে মেডিকেল পরিক্ষার জন্য জেলা সদর হাসপাতালে প্রেরন করি এবং আসামী পলাতক রয়েছে তবে আসামীকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

পোস্টটি শেয়ার করুনঃ