এম,ডি রেজওয়ান আলী বিরামপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি-দিনাজপুর বিরামপুরে বৈশাখী ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন ৪ নাম্বার দিওড় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আব্দুল মালেক মন্ডল। বিরামপুর উপজেলায় ঝড়ো হাওয়া ও শিলাবৃষ্টিতে ফসল ও ঘরবাড়ির ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এছাড়া দিনাজপুরের বিরামপুরে ঝড়ে শতাধিক টিনের ঘরবাড়ি লন্ডভন্ড হয়ে গেছে। ৪নং দিওড় ইউনিয়নে গত বৃহস্পতিবার আনুমানিক বেলা ২টা ৩০ মিনিট সময়ে বয়ে যাওয়া ঝড়ো হওয়া ও শিলাবৃষ্টিতে প্রায় দুই শতাধিক ঘরের টিনের চাল ফুটো ও উড়ে নিয়ে যায়। এমনকি ইটের বাড়ির উপর নিলেন ঢালাইয়ের উপর থাকা টিনের ছাউনিও উড়ে নিয়ে যায়। তবে দিনের বেলায় ঝড়টি হওয়ার কারণে মানুষ এবং গরু ছাগলের হয়নি বলে জানা যায়। এরি প্রেক্ষাপটে ইউনিয়নের গোপালপুর গ্রামের ৭নং ওয়ার্ড গোপালপুর গ্রামের শাহাদাত হোসেন পিতা মহাসিন আলী ও একই মহল্লার সুজন মিয়া পিতা লালু শিকদার তাদের বাড়ির ট্রিনের ছাউনি কালবৈশাখী ঝড়ে উড়ে যায়। ফলে তাদের অপূরনীয় ক্ষতি হয়েছে। এমন অবস্থায় ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আব্দুল মালেক মন্ডল সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। তাদের সঙ্গে কুশল বিনিময়ে তাদের মাঝে ক্ষতিপূরণের আর্থিক সহযোগিতা প্রদান করেন। এ সময় ওয়ার্ড সদস্য আজগার হোসেন সহ স্থানীয় জনসাধারণ উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া দুই শতাধিক ঘরের টিনের চাল শিলার আঘাতে ফুটো হয়ে গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিগণ সহায়তা পেয়ে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন। এ বিষয়ে উপজেলার সাতটি ইউনিয়ন একটি পৌরসভায় পরিদর্শনে জানা যায় যে,মানুষের অনেক কাঁচা ঘরবাড়ি এবং টিনের ছাউনিসহ ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। জনসাধারণের এমন ক্ষতি হওয়ায় স্থানীয় প্রতিনিধিগণ জাতীয় সংসদ সদস্য শিবলী সাদিক তার নির্দেশনায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে আর্থিক সহায়তা প্রদান অব্যাহত রেখেছেন বলে জানা যায়। এ বিষয়ে বিরামপুর উপজেলা প্রকল্প কর্মকর্তা মোঃ কাওছার হোসেনের নিকটমুঠোফোনে জানতে চাইলে তিনি বলেন এ বিষয়ে আমরা অবগত নই। এবিষয়ে বিরামপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার নুজাহার তাসনিম আওনের নিকট মুঠোফোনে জানতে চাইলে তিনি জানান এবিষয়ে তো কিছুই জানিনা তবে আপনার কাছে জানলাম,আমার কাছে তেমন কোন অভিযোগ আসেনি যদি আসে বিষয়টা দেখব বলে জানান।

পোস্টটি শেয়ার করুনঃ