রেজওয়ান আলী বিরামপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি-দিনাজপুর বিরামপুরে আবাদি জমির মধ্যে পুকুর খনন অভিযোগে বন্ধে নোটিশ জারি করেছে বিরামপুর ভূমি অফিস। আজ (৩০ নভেম্বর)-২০২২ দিনাজপুর বিরামপুরে আবাদি জমির উপর অবৈধ ভাবে পুকুর খনন অভিযোগে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর অভিযোগ হইলে তৎক্ষনাৎ নির্বাহী অফিসার দিওড় ইউনিয়ন ভূৃমি কর্মকর্তা কে ব্যবস্হা গ্রহণের নির্দেশ প্রদান করেন।
উক্ত ঘটনা গ্রামে বসবাসকারী এবং আবাদি জমির মালিকগণ মোটোফোনে উক্ত বিষয় অবগত করলে তাহা সরজমিনে দেখা যায় যে কাদিপুর গ্রামের মৃত আব্দুল হামিদের ছেলে মোহাম্মদ হাফিজুর রহমান তার নিজের জমি আবাদি জমির মাঠের মধ্যে তার জমিতে গভীর পুকুর খনন করছে। উক্ত সময় মাটি খনন ভেকু দ্বারা পুকুরটি খনন করা হচ্ছিল। পাশের আবাদি জমির ফসল গুলি কিছু জায়গা ফাঁকা হয়েছে এবং অনেক জায়গায় কৃষকদের জমির ফসল কেটে রাখা হয়েছে। এ বিষয়ে স্থানীয় কৃষকদের নিকট জানতে চাইলে তারা বলেন আবাদি জমির মাঠে হঠাৎ করে জৈনক ব্যক্তি তার জমিতে গভীর খননে পুকুর করছে। এতে করে আমাদের আবাদের জমির অন্যান্য ফসল ফলানোর জন্য অনেক সমস্যা সৃষ্টি হবে। তারা আরো জানান উক্ত জায়গাতে পুকুর খনন না করার জন্য বললে হাফিজুর রহমান ক্ষিপ্ত হয়ে বিভিন্ন প্রকার হুমকি ধামকি প্রদান করেন । এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সুদৃষ্টি আসু হস্তক্ষেপ কামনা করছেন এলাকার কৃষকগণ। এরই প্রেক্ষিতে দিওড় ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা রাজিব মিয়া (ভারপ্রাপ্ত) ইউনিয়নের কাদিপুর গ্রামের মৃত আব্দুল হামিদের ছেলে মোঃ হাফিজুর রহমান তার নিজস্ব জমিতে পুকুর খনন করছিল। যাহা উক্ত মহল্লার পচ্চিম পার্শ্বের কাঁচা রাস্তা সংলগ্ন আবাদি জমির উপর পুকুর খনন করা কালে উপস্থিত থেকে খনন কাজ বন্ধ করে দেন। এরই ধারাবাহিকতায় জমির মালিকেরা কে নোটিশের মাধ্যমে পূনরায় পুকুর খনন কাজ বন্ধের নির্দেশ প্রদান করেন। উক্ত বিষয়ে দিওড় ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা রাজিবের নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন,দিওড় ইউনিয়ন ভুক্ত গাজীপুর গ্রামের আবাদি জমির উপরে পুকুর খননের সংবাদে তৎক্ষণাৎ আমি ঘটনাস্থলে উপস্থিত হই। সরজমিনে দেখতে পাই যে অত্র গ্রামের স্থায়ী বাসিন্দা আব্দুল হামিদের ছেলে মোহাম্মদ হাফিজুর রহমানের অন্যদের আবাদি জমির মাঝখানে তার জমি পুকুর করার জন্য খনন করছে। এ বিষয়ে আমি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশে উক্ত কাজ বন্ধ করে দেয় এবং নোটিশের মাধ্যমে তাকে বিশেষভাবে অবগত করা হয়। এমতাবস্থায় যদি উক্ত ব্যক্তি পুনরায় কাজ করেন তবে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান।‌ এ বিষয়ে জমির মালিক মোঃ হাফিজুর রহমানের নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন করতে আইনগত তেমন কোন ব্যবস্থা নেই বলে মন্তব্য করেন। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার পরিমল কুমার সরকারের নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন আবাদী জমির উপরে পুকুর খনন করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। উক্ত বিষয়ে সরে জমিনের তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান ।

পোস্টটি শেয়ার করুনঃ