এম,ডি রেজওয়ান আলী, বিরামপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি:- আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস একুশে ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গসহ সমস্ত বাংলাভাষী অঞ্চলে পালিত একটি বিশেষ দিবস। ১৯৯৯ খ্রিস্টাব্দের ১৭ নভেম্বরে জাতিসংঘ কর্তৃক গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী [১] প্রতিবছর ২১শে ফেব্রুয়ারি বিশ্বব্যাপী পালন করা হয়ে থাকে। এটি শহীদ দিবস হিসাবেও পরিচিত। এ দিনটি বাঙালি জনগণের ভাষা আন্দোলনের মর্মন্তুদ ও গৌরবোজ্জ্বল স্মৃতিবিজড়িত একটি দিন হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আছে। ১৯৫২ সালে এইদিনে (৮ ফাল্গুন,১৩৫৮, বাংলাকে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে ঢাকায় আন্দোলনরত ছাত্রদের ওপর পুলিশের গুলিবর্ষণে অনেক তরুণ ছাত্র শহীদ হন। যাঁদের মধ্যে রফিক,জব্বার, শফিউর,সালাম,বরকত উল্লেখযোগ্য এবং এই কারণে এ দিনটি শহীদ দিবস হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় আজ দিনাজপুর বিরামপুরে ২১ ফেব্রুয়ারি শহীদ ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে উপজেলা নির্বাহী অফিসার,প‍ৌর মেয়র,বিরামপুর প্রেসক্লাব এর সকল সদস‍্য রাজনৈতিক ব‍্যক্তিবর্গ রাতের প্রথম প্রহরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের স্মৃতিসৌধে পুস্পস্তবক অর্পণ করে ভাষা শহীদদের প্রতি বিনম্রশ্রোদ্ধা জানান। আলোচনা সভায় পুরুস্কার বিতরণী ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান বিরামপুর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার মাঠে অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলা পরিষদ আয়োজিত ও উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার আব্দুস সালাম ও দিলরুবা পারডীন রেবা এঁর সঞ্চালনায় ২১ ফেব্রুয়ারি সকালে উপজেলা নির্বাহী অফিসার নুজহাত তাসনীম আওন এঁর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত শিক্ষার্থী ও সুধীজনদের উদ্দেশ্যে ভাষা শহীদদের আত্নত‍্যাগের কথা ও ভাষা দিবসে শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে শ্রোদ্ধা জ্ঞাপন এর গুরুত্বপূর্ণ কথা তুলে ধরেন। আরও উপস্থিত ছিলেন,বিরামপুর পৌর মেয়র মোঃ আককাস আলী,সহকারী কমিশনার (ভূমি) মুরাদ হোসেন,উপজেলা আওয়ামীলীগ সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি শিবেশ কুমার কুন্ডু,উপজেলা পরিষদ ভাইস চেয়ারম্যান মেজবাউল ইসলাম মন্ডল, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান উম্মে কুলছুম বানু,থানা অফিসার ইনচার্জ সুব্রত কুমার সরকার,বিরামপুর মহিলা ডিগ্রী কলেজের অধ‍্যক্ষ মেসবাউল হক, উপজেলা মৎস‍্য কর্মকর্তা কাওসার হোসেন,স্হানীয় উপজেলার সাংবাদিক বৃন্দ সহ প্রমুখ গন। আলোচনা শেষে স্থানীয় শিল্পকলা একাডেমির শিল্পীবৃন্দ ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা এক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান চিত্র প্রকাশ ফুটে উঠেছে।

পোস্টটি শেয়ার করুনঃ