এম,ডি রেজওয়ান আলী বিরামপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি-দিনাজপুর বিরামপুরে থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে র‍্যাব-৫ ও সিপিসি-২ এর সহায়তায় স্ত্রী হত্যা মামলার দীর্ঘদিন যাবৎ আত্মগোপনে থাকা পলাতক আসামি ওয়াসীম আলী ওরফে দুলাল (৪০), কে আটক করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃত স্ত্রী হত্যা মামলার পলাতক আসামি ওয়াসীম আলী ওরফে দুলাল (৪০) বিরামপুর উপজেলার ৬নং জোতবানী ইউনিয়নের কেটরা হাট গ্রামের মৃত নাছিম উদ্দিনের ছেলে। শনিবার (১৭ জুন) রাত ১টার দিকে সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার এএসপি (বিরামপুর-নবাবগঞ্জ) সার্কেলের মঞ্জুরুল ইসলাম ও বিরামপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সুমন কুমার মহন্তের নির্দেশনায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এসআই আব্দুর রশিদ ও সঙ্গীয় ফোর্স,র‍্যাব-৫ এবং সিপিসি-২ এর সহায়তায় নাটোর সদর থানা এলাকায় অভিযান চালান। অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তারী পরোয়ানামূলে স্ত্রী হত্যা মামলার দীর্ঘদিন যাবৎ আত্মগোপনে থাকা পলাতক আসামি ওয়াসীম আলী ওরফে দুলাল (৪০) কে আটক করে। জিআর মামলা নং-১২১/০৫ (বিরামপুর)। বিরামপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সুমন কুমার মহন্ত ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন,স্ত্রী হত্যা মামলার দীর্ঘদিন যাবৎ আত্মগোপনে থাকা পলাতক আসামি ওয়াসীম আলী ওরফে দুলাল (৪০) কে গ্রেপ্তারী পরোয়ানামূলে গ্রেপ্তার করা হয়। শনিবার (১৭ জুন) সকালে গ্রেফতারকৃত আসামি দুলালকে দিনাজপুর বিজ্ঞ আদালতে প্রেরন করা হয়েছে। উল্লেখ্য দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলার জোতবানী ইউনিয়নের কেটরাপাড়া গ্রামের মৃত নজমদ্দিনের ছেলে ওয়াসিম আলী (৩৭) গৃহবধু হত্যা মামলার অভিযোগে ১৮ বছর আগে আত্মগোপনে চলে যান। নিজ জেলা ছেড়ে নতুন নামে নাটোর জেলায় থাকতে শুরু করেন। গ্রেপ্তার এড়াতে কোনো প্রযুক্তিও ব্যবহার করতেন না। এভাবে ১৮ বছর পালিয়ে থাকার পর মুঠোফোন ব্যবহার করায় সেই পলাতক আসামী র‌্যাবের হাতে ধরা পড়েন । ২০০৫ সালের ৩ জুলাই বিরামপুর থানায় তাঁর বিরুদ্ধে স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগে একটি মামলা হয়। বিরামপুর থানা সূত্রে জানা গেছে,গত শুক্রবার রাতে নাটোর সদর উপজেলার একডালা বাজার থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করেন র‌্যাবের নাটোর ক্যাম্পের সদস্যরা। শনিবার তাঁকে দিনাজপুরের বিরামপুর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। র‌্যাবের নাটোর ক্যাম্পের কোম্পানি অধিনায়ক ফরহাদ হোসেন জানান,স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগে করা মামলা থেকে বাঁচতে ওয়াসিম দিনাজপুর থেকে পালিয়ে নাটোরে চলে আসেন। তিনি নিজেকে দুলাল নামে পরিচিত করে তোলেন। প্রযুক্তি ব্যবহার না করায় ১৮ বছরে তাঁর অবস্থান শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। সম্প্রতি তিনি মুঠোফোন ব্যবহার শুরু করলে তাঁর অবস্থান শনাক্ত করা সম্ভব হয়। গ্রেপ্তার ওয়াসিমকে বিরামপুর থানা-পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

পোস্টটি শেয়ার করুনঃ