শেখ মোঃ হুমায়ুন কবির, স্টাফ রিপোর্টার।

বাংলাদেশের স্থপতি সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাংঙ্গালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাগ্নে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান শেখ ফজলুল হক মনির বড় সন্তান, শেখ ফজলে শামস পরশ, এর জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

গাজীপুর জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সফল সাধারণ সম্পাদক, গাজীপুর জেলার যুব সমাজের আদর্শ হাজারো অসহায় নির্যাতিত যুবকদের আশ্রয়স্থল, গাজীপুর জেলা আওয়ামী যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী মানবতার ফেরিওয়ালা, মোঃ জাহিদুল আলম রবিন।

জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়ে, মোঃ জাহিদুল আলম রবিন বলেন।
আজ ২’ই জুলাই ১৯৬৯ সালের ২’ই জুলাই পিতা শেখ ফজলুল হক মনি ও মাতা শেখ আরজু মনির ঘর আলোকিত করে জন্মগ্রহণ করেন। জন্মের শুভক্ষণ সমুজ্জ্বল প্রীতময় হোক। শ্রদ্ধায়, ভালোবাসায় অভিনন্দন বার্তা। জীবনের প্রতি পরতে আনন্দ ক্ষণগুলো আপনাকে ছুঁয়ে থাকুক। বিপদমুক্ত হোক চলার পথ। আপনার স্নেহ ছায়ায় যেন অনেক বছর পথ চলা হয় আমাদের। আমরা আপনাকে রাজনৈতিক মঞ্চে একজন আদর্শিক নেতা হিসেবে পেয়েছি।

বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ উপমহাদেশের সর্ববৃহৎ যুব সংগঠন হিসেবে পরিচিত। তবে নানা কর্মকাণ্ডে যখন যুবলীগের ভাবমূর্তি সংকটে পড়ে যায়, ঠিক তখনি বাবা শেখ ফজলুল হক মনির হাতে গড়া সংগঠনের প্রতি বিশেষ মায়া এবং দায়িত্ববোধের জায়গা থেকে আওয়ামী যুবলীগের হারানো গৌরব, ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে সফল রাষ্ট্রনায়ক ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, শেখ ফজলে শামস পরশকে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের দায়িত্ব প্রদান করেন।
এরপর যুবলীগের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নিয়ে বঙ্গবন্ধুর আদর্শের যুব সংগঠনের কর্মীদের নিয়ে ইতিবাচক কাজ শুরু করেন। একই সঙ্গে যুব সংগঠনের মাথার উপর একটি মহিরূহ বটবৃক্ষ হিসেবে ছায়া দিয়ে যাচ্ছেন।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যেই উদ্দেশ্য নিয়ে শেখ ফজলে শামস্ পরশকে চেয়ারম্যানের দায়িত্ব দিয়েছিলেন, ইতোমধ্যে তিনি সেই সফলতা অর্জন করেছেন। যার ফলে ইতিবাচক ধারায় ফিরেছে যুবলীগ। সংগঠনটি তার হারানো ঐতিহ্য ও গৌরব ফিরে পেয়েছে। বিনয়ী, নির্মোহ, আর সরলতাই প্রধান পুঁজি পরশের। তিনি ইতোমধ্যে তার মেধা ও যোগ্যতা দিয়ে সবার মন জয় করতে পেরেছেন অনায়াসেই।

গাজীপুর জেলা আওয়ামী যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী মোঃ জাহিদুল আলম রবিন আরো বলেন।
২০১৯ সালের ২৩’শে নভেম্বর রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে যুবলীগের সপ্তম জাতীয় কংগ্রেসের দ্বিতীয় সভায় চেয়ারম্যান হিসেবে শেখ ফজলে শামস পরশের নাম ঘোষণা করা হয়।

যুবলীগের চেয়ারম্যান হিসেবে শেখ ফজলে শামস পরশ নির্বাচিত হয়েই প্রথম প্রতিজ্ঞা প্রকাশ করে বলেন, যুবলীগের একজন চেয়ারম্যান হিসেবে নয়, একজন কর্মী হিসেবে আপনাদের পাশে থেকে কাজ করব। আপনারা আমার শক্তি হবেন। আমার বাবা শেখ মণি, বঙ্গবন্ধুর ও মুক্তিযুদ্ধের আদর্শের পক্ষে যুব সমাজকে ঐক্যবদ্ধ রাখার জন্য এই সংগঠন করেছিলেন। বঙ্গবন্ধুর ত্যাগ ও তার কন্যার দেশের প্রতি হৃদয়ের ভালোবাসা থেকে আমি সাহস পাই। তাই আমি আপনাদের সামনে বলতে চাই, আমার উপর যে দায়িত্ব অর্পিত হয়েছে আমি সম্পূর্ণ সততার সঙ্গে দায়িত্বগুলো পালন করবো।

শেখ পরশ বাংলাদেশের স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাগনে, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ফুফুতো ভাই, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান শেখ ফজলুল হক মনির বড় সন্তান। রাজনৈতিক পরিবারে জন্ম নেওয়া এবং বেড়ে উঠা পরশ খুব কাছ থেকেই দেখেছেন ১৯৭৫ সালের ঘৃণিত কলঙ্কিত ইতিহাস।

পঁচাত্তর এর ট্র্যাজেডিতে বাবা-মাকে হারানো শেখ ফজলে শামস পরশ ধানমন্ডি সরকারি বালক বিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক, ঢাকা কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি সাহিত্যে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি নেন। এরপর যুক্তরাষ্ট্রের কলারাডো ইউনিভার্সিটি থেকে পিএইচডি ডিগ্রি নেয়ার পর দেশে ফেরেন। তারপর ১০ বছর ধরে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করে আসছিলেন। তিনি ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনার সঙ্গেও জড়িত ছিলেন এবং বর্তমানে ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতায় রয়েছেন।

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জন হয়। কিন্তু তাকে সপরিবারে হত্যার ঘটনায় শেখ পরশের মনে বড় ধরনের ক্ষতের সৃষ্টি করেছিল। পরশের বাবা এদেশের তরুণ-যুব সমাজের আলোকবর্তিকা শেখ ফজলুল হক মনি ১৯৭২ সালের ১১’ই নভেম্বর বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ প্রতিষ্ঠা করেন।
বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের মূলমন্ত্র গণতন্ত্র, শোষণমুক্ত সমাজ অর্থাৎ সামাজিক ন্যায়বিচার, জাতীয়তাবাদ, ধর্ম নিরপেক্ষতা তথা জাতীয় চার মূলনীতিকে সামনে রেখে বেকারত্ব দূরীকরণ, দারিদ্র্য দূরীকরণ, দারিদ্র্য বিমোচন, শিক্ষা সম্প্রসারণ, গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপদান, অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ ও আত্মনির্ভরশীল অর্থনীতি গড়ে তোলা এবং যুব সমাজের ন্যায্য অধিকারসমূহ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে যুবলীগের প্রতিষ্ঠা। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে দেশের সকল শ্রেণি ও পেশার মানুষের মধ্য থেকে স্বাধীনতা ও প্রগতিকামী যুবক ও যুব মহিলাদের ঐক্যবদ্ধ করে তাদের রাজনৈতিক শিক্ষায় শিক্ষিত করে একটি সুশৃঙ্খল সংগঠন গড়ে তোলাই ছিল যুবলীগের উদ্দেশ্য। প্রতিষ্ঠার পর থেকে যুবলীগের নেতাকর্মীরা দেশ গঠনে নিজেদের আত্মনিয়োগ করেন।

গাজীপুর জেলা আওয়ামী যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী মোঃ জাহিদুল আলম রবিন, আরো বলেন।
বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ সংগঠনের গৌরব ও ঐতিহ্য পুনরুদ্ধারকারী, হে মহান নেতা শেখ ফজলে শামস পরশ। আপনার ৫৪’তম জন্মদিনে, গাজীপুর জেলা আওয়ামী যুবলীগের পক্ষ থেকে জানাই, জন্মদিনের শুভেচ্ছা। দোয়া করি মহান আল্লাহ্ তায়ালা যেন, আপনাকে সব সময় ভালো রাখেন সুস্থ্য রাখেন ও সহি সালামতে রাখেন।
জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু

পোস্টটি শেয়ার করুনঃ