এম,ডি রেজওয়ান আলী, বিরামপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি:- সাবেক নৌ সদস্যের বিরুদ্ধে শাশুড়ীর পর্নোগ্রাফি ধারায় মিথ্যা মামলা অভিযোগ উঠেছে। এবিষয়ে সরজমিনে জানা যায়,হাকিমপুর উপজেলার খট্টা মাধবপাড়া গ্রামের বাসিন্দা মোঃ মনিরুজ্জামানের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে তার শাশুড়ি সাগরিকা বেগম গত ২১-১২-২০২৩ তারিখে একটি বিরামপুর থানায় পর্নোগ্রাফি ধারায় মামলা করেন। উক্ত মামলার প্রেক্ষিতে আসামি মনিরুজ্জামান কে জেল হাজতে প্রেরণ করেন। এমন অবস্থায় মনিরুজ্জামান জামিন পেয়ে সাংবাদিকদেরকে জানান,তিনি পারিবারিক ভাবে বিরামপুর উপজেলার মোনালিসা নামে এক নারীকে প্রস্তাবের মাধ্যমে বিয়ে করেন। বিবাহের পর তেকে তারা শান্তিতে বছর খানেক একটানা সংসার চলছিল। মনিরুজ্জামান আরোজানান,বসবাসের কিছুদিন পরে জানতে পারেন যে, একদিন সৌদি প্রবাসী রাকিব হাসান নামে এক যুবকের সহিত বহুদিন যাবত ফেসবুকের সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে পরকীয়া করত। এসময় সৌদি প্রবাসী রাকিব হাসান আরও জানান,তার সাথে অনেক দিন যাবত মোনালিসা ফোন সেক্স করত। এমন অবস্থায় প্রলোভন দেখিয়ে মোনালিসা রাকিব হাসানের নিকট হইতে তিন লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেয়। রাকিব হাসান মনিরুজ্জামান এর নাম্বার সংগ্রহ করে তার বরাবরে কিছু অশ্লীল ভিডিও পাঠিয়ে দেন। এই ভিডিও নিয়ে স্বামী স্ত্রীর মধ্যে মনোমালিন্যের সৃষ্টি হয়। আরও জানা যায়,এমন সময়ে মনিরুজ্জামান বরিশাল মেরিন একাডেমীতে কর্মরত অবস্থায় চাকুরী অব্যাহত দিয়ে তার স্ত্রী মোনালিসা কে নিজ বাড়িতে চলে আসেন। মোনালিসা বাড়িতে এসে তার মাকে অশ্লীল ভিডিওর বিষয়টি জানালে দুইজনকেই বিরামপুরে এক ভাড়াটিয়া বাসায় অবস্থান করেন। সেই অশ্লীল ভিডিও নিয়ে কিছুদিনের মধ্যে তাদের স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে মনোমালিন্যের সৃষ্টি হয়। মা ও মেয়ে ষড়যন্ত্র করে মনিরুজ্জামানের গত ১৭ই ডিসেম্বর ২০২৩ তাকে বাড়ি থেকে বের করে দেয়। হঠাৎ করে একদিন মোনালিসা মনিরুজ্জামানকে ফোনে জানাই যে সে অসুস্থ। এমন সংবাদে স্ত্রীর অসুস্থর খবরে তাৎক্ষণিক ভাবে বিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স দেখতে আসেন। হাসপাতলে আসামাত্র বিরামপুর থানার আশরাফুল ইসলাম সাদা পোশাকে তাকে আটক করেন।
আটকের কারণ জানতে চাইলে আশরাফুল ইসলাম জানান,তার শাশুড়ি তার বিরুদ্ধে থানায় পর্নোগ্রাফি ধারায় মামলা করেছেন। ২১-১২-২০২৩ যার মামলা নং ২৩,পক্ষান্তরে বিবাদীগনের মামলার পূর্বে মনিরুজ্জামান গত ১৯/১২/২৩ ইং তারিখ তাদের নামে বিরামপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। ওসি সুব্রত কুমার অভিযোগ আমলে নিয়ে সুষ্ঠু সমাধানের আশ্বাস দিয়ে এক কপি ডিউটি অফিসার নেহার কে দেন।
সে আরও জানান,মনিরুজ্জামানকে বিভিন্ন সময় বিভিন্নভাবে হুমকি ধামকি থাকেন। উক্ত বিষয়ে মিথ্যা মামলা থেকে রক্ষা পেতে সুষ্ঠ তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য দিনাজপুর পুলিশ সুপার বরাবর অবগত করেন। পক্ষান্তরে মনিরুজ্জামান বিশেষ কাজে গত ২৫ ফেব্রুয়ারী-২৪ বিরামপুরে আসলে বিবাদী পক্ষদ্বয় তাকে আটক করে এলোপাতাড়ি ভাবে মারপিট ও যখম করেন। এ অবস্হায় ভয়ে আতংকে হাকিমপুর উপজেলার স্বাস্থ কমপ্লেক্সে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা গ্রহণ করেন। মনিরুজ্জামান চিকিৎসা অবস্থায় বিবাদীদের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দ্বায়ের করেন। এবিষয়ে স্হানীয় কিছু সাংবাদিক সঠিক বিষয় না জানিয়ে মনিরের বিরুদ্ধে খবর প্রকাশ করার নিন্দা জ্ঞাপন করেন মনিরুজ্জামান।

পোস্টটি শেয়ার করুনঃ