( বিশেষ প্রতিনিধি) নান্দাইল মডেল প্রেস ক্লাবের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে গত ১৫ অক্টোবর নান্দাইল মডেল প্রেস ক্লাবের উদ্যোগে এক আনন্দ ভ্রমণ-২০২২ অনুষ্ঠিত হয়। আনন্দ ভ্রমণে
মহেড়া জমিদার বাড়ি, গোপালপুর ২০১ গম্বুজ মসজিদ সহ মধুপুরে গড়ে এই আনন্দ ভ্রমণে করা হয়। নান্দাইল মডেল প্রেস ক্লাবের সকল সদস্য ও দাওয়াত প্রাপ্ত অতিথি, আনন্দ ভ্রমণে অংশ গ্রহন করে। গত শনিবার ভোর ৬ টায় নান্দাইল মডেল প্রেস ক্লাবের অস্থায়ী কার্যালয়ের সামনে থেকে আনন্দ ভ্রমণে শুরু করে। প্রথমে মহেড়া জমিদার বাড়ি পরে গোপালপুর ২০১ গম্বুজ মসজিদ ও শেষে মধুপুরে গড় পরিদর্শন করে পূনরায় নান্দাইল মডেল প্রেস ক্লাবের সামনে রাত ১১ ঘটিকায় উক্ত আনন্দ ভ্রমণের সমাপ্তি ঘোষণা করেন ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ও আজকালের খবর পত্রিকার নান্দাইল প্রতিনিধি সারোয়ার জাহান রাজিব।
মহেড়া জমিদার বাড়ির সামনে প্রবেশ পথের আগেই রয়েছে ‘বিশাখা সাগর’ নামে বিশাল এক দীঘি এবং বাড়িতে প্রবেশের জন্য রয়েছে ২টি সুরম্য গেট। এছাড়াও মূল ভবনে পিছনের দিকে পাসরা পুকুর ও রানী পুকুর নামে আরো দুইটি পুকুর রয়েছে এবং শোভাবর্ধনে রয়েছে সুন্দর ফুলের বাগান। বিশাখা সাগর সংলগ্ন দক্ষিণ পার্শ্বে রয়েছে বিশাল আম্র কানন ও বিশাল তিনটি প্রধান ভবনের সাথে রয়েছে নায়েব সাহেবের ঘর, কাছারি ঘর, গোমস্তাদের ঘর, দীঘিসহ ও আরো তিনটি লজ ঘুরে ক্লাবের সদস্যরা
টাঙ্গাইলের গোপালপুরে ২০১ গম্বুজ মসজিদ অপরুপ নিদর্শনে দেখা যায়। এ মসজিদের মিনারের উচ্চতা ৪৫১ ফুট (১৩৮ মিটার)। যা ৫৭ তলা ভবনের সমান। মসজিদে গম্বুজ আছে ২০১টি। এটি হচ্ছে বিশ্বের দ্বিতীয় উঁচু মিনারের মসজিদ। টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলা সদর থেকে সাত কিলোমিটার পশ্চিমে। এখানে নির্মাণ করা হয়েছে দু’টি হেলিপ্যাড। মসজিদের টাইলস সহ ফিটিংসের যাবতীয় শোভাবর্ধনের শৌখিন কারুকার্য খচিত পাথরগুলো বিশ্বের কয়েকটি দেশ ঘুরে সংগ্রহ করা হয়েছে। মসজিদের ছাদের মাঝখানের গম্বুজটির উচ্চতা ৮১ ফুট, বাকি ২০০টি গম্বুজ ১৭ ফুট উচ্চতা বিশিষ্ট। মূল মসজিদের চার কোণে রয়েছে ১০১ ফুট উচ্চতার চারটি মিনার। পাশাপাশি থাকবে ৮১ ফুট উচ্চতার আরও চারটি মিনার। ১৪৪ ফুট দৈর্ঘ্য ও ১৪৪ ফুট প্রস্থের দ্বিতল মসজিদটিতে নামাজ আদায় করতে পারবেন একসঙ্গে প্রায় ১৫ হাজার মুসল্লি। দেয়ালের টাইলসে অঙ্কিত থাকবে ৩০ পারা পবিত্র কোরআন শরিফ। যে কেউ বসে বা দাঁড়িয়ে মসজিদের দেয়ালের কোরআন শরিফ পড়তে পারবেন। মসজিদের প্রধান দরজা তৈরিতে ব্যবহার করা হয়েছে ৫০ মণ পিতল। আজান প্রচারের জন্য মসজিদের দক্ষিণ পাশে নির্মাণ করা হবে উঁচু মিনার। উচ্চতার হিসাবে মিনারটি তৈরি হয়েছে প্রায় ৫৭ তলার সমান অর্থাৎ ৪৫১ ফুট। মসজিদের নির্মাণ কাজ এখও চলমান।
মসজিদ নির্মাণ শেষে মুসলিম সম্প্রদায়ের সহ অন্যান্য ধর্মাবলম্বীদের মাঝে ২০১ গুম্বজ মসজিদ আরও একটি নিদর্শন হয়ে রবে যুগের পর যুগ।

পোস্টটি শেয়ার করুনঃ