উজ্জ্বল কুমার সরকার, নওগাঁঃ
নওগাঁ জেলার বিভিন্ন উপজেলায় অসময়ের বৃষ্টিতে ইটভাটা গুলির ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে ,হঠাৎ অসময়ের বৃষ্টিতে জেলার বদলগাছি মহাদেবপুর পত্নীতলা ধামুরহাট মান্দা নিয়ামতপুর সাপাহার পোরশাহ উপজেলার সবগুলো ইটভাটা গুলিল ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। ভাটাগুলির সারি সারি কাঁচা ইটগুলো বৃষ্টির পানিতে গলে কাদায় পরিনত হয়ে গেছে। আর এই ক্ষয়-ক্ষতির কারণে ভাটা মালিকদের মাথায় হাত পড়েছে। লাখ লাখ কাঁচা ইট গলে যাওয়ায় কিভাবে এইক্ষতি পুষিয়ে উঠবে মালিকররাচিন্তি হয়ে পড়েছে। উপজেলা ইটভাটা মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও ওএমএস ব্রিকস এর মালিক শরিফুল ইসলাম জানান, অসময়ে হঠাৎ বৃষ্টি হওয়ায় কাঁচা ইট গলে কাদায় পরিণত হয়েছে। এতে তারা ব্যাপক ক্ষতির মধ্যে পড়ে গেছ। তিনি জানান, বৃষ্টির কারণে উপজেলার ১০টি ইটভাটায় প্রস্তুতকৃত লাখ লাখ কাঁচা ইট নষ্ট হয়ে গেছে। এতে তারা ব্যাপক আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হবেন বলে জানান। তিনি আরও জানান, অনেক ভাটা মালিকরা বিভিন্ন ব্যাংক থেকে লাখ-লাখ টাকা ঋণ নিয়ে ইট ভাটার ব্যবসা শুরু করেছেন। কিন্তু মৌসুমের শুরুতেই এমন বড় ধরনের বৃষ্টির ধাক্কায় সর্বশান্ত হয়ে যাবেন অনেকে। ব্যাংক থেকে গৃহিত ঋণ কিভাবে পরিশোধ করবেন আর কিভাবেই বা নতুন করে ব্যবসা পরিচালনা করবেন তা নিয়ে ইতোমধ্যেই দিশেহারা হয়ে পড়েছেন ইটভাটা মালিকরা।
ইটভাটা মালিক সমিতির সভাপতি ও কেএসবি ব্রিকস্ এর মালিক আকবর আলী কালু জানান, উপজেলার দশ ইটভাটার মালিক প্রত্যেকে এখন দুশ্চিন্তায় আছেন। কিভাবে ঋণ শোধ করবেন আর পুনরায় ব্যবসা চালু করবেন। একদিকে এবারে ইটের দাম কম অপরদিকে হঠাৎ এই বৃষ্টিতেই ইটভাটা মালিকরা ব্যবসার শুরুতেই লাখ-লাখ টাকা ক্ষতির সম্মুখিন হয়ে গেলো। অনেক ইটভাটা মালিকের পক্ষে ক্ষতি কাটিয়ে ওঠে ভাটা পরিচালনা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়বে বলে তিনি মনে করছেন। অপরদিকে ইট তৈরির কাজে নিয়োজিত শ্রমিক আবুলহোসেন ও রাশেদুল হক জানান, বৃষ্টির ফলে কয়েকদিন যাবৎ তাদের কাজ সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে। কতদিন বন্ধ থাকবে তাও তাদের জানা নেই। যে কয়দিন কাজ বন্ধ থাকবে সে দিনগুলোতে মালিক পক্ষ তাদের দিনেনা বলে তারা জানান। এতে তাদের সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়বে বলে তারা চিন্তিত হয়ে পড়েছেন।

পোস্টটি শেয়ার করুনঃ