উজ্জ্বল কুমার সরকারঃ
নওগাঁর তিলেকপুর ইউনিয়নের ফতেপুর বাজারে বোয়ালিয়া-তিলেকপুর ইউনিয়নের একটাই ভূমি অফিস। এই অফিসে সীমাহীন ঘুষ-দুর্নীতি ও দালালদের দৌরাত্ম্যে অসহায় হয়ে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। দালাল শামিম ও অফিসের সহকারী ভূমি কর্মকর্তা কাজী রাফিউল ইসলাম এর যোগসাজশে বিভিন্নভাবে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে ওই অফিসে আসা সাধারণ লোকজন চরম ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। (১৪ মার্চ) বেলা অনুমান ১২.০০ টার দিকে ফতেপুর ভূমি অফিসে সেবাগ্রহীতারা সেবা না পেয়ে বাজারের সামনে দিয়ে উক্ত অফিসের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের অভিযোগ দেয়। এমন অভিযোগের ভিত্তিতে ওই অফিসের গেটে প্রবেশ করতেই দেখা যায় যে, রেকর্ডরুম থেকে দালাল শামীম সরকারি বিভিন্ন নথিপত্র ঘেটে কিছু নথি তার হাতে নিয়ে আরও কিছু খোজাখুজি করতেছে। এমন সময় সংবাদ কর্মী অন্তর আহমেদ তার হাতে থাকা ক্যামেরা চালু করে তার পরিচয় জানতে চাইলে শামীম উত্তেজিত হয়ে হাতে থাকা ভিডিও ক্যামেরাটি কেড়ে নেওয়ার নেওয়ার চেষ্টা করে। সংবাদ কর্মীকে ধাক্কা দিয়ে দ্রুত অফিস থেকে বাহিরে চলে যায়।
বিষয়টি ওই অফিসের দায়িত্বপ্রাপ্ত সহকারী ভূমি কর্মকর্তা কাজী রাফিউল ইসলাম কে অবহিত করলে তিনি বলেন, আমি এই রুমের দায়িত্বে আছি। ওই রুমে কি হচ্ছে আমি কি করে বলবো। আমি এই বিষয়ে আর কথা বলতে পারবো না।
দালাল শামিম এর সহযোগী ফতেপুর বাজার এর বনিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক চাঁন তার ব্যবহৃত মোবাইল নম্বর ০১৭১৪৪১৪২১১ থেকে সংবাদ কর্মী অন্তর আহমেদ’কে ফোন করে সংবাদ প্রকাশ না করার জন্য হুমকি দেয়। এক পর্যায়ে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকে এবং নানা ধরনের হুমকি দিয়ে বলে যে, ভবিষ্যতে ফতেপুর বাজার এলাকায় সংবাদ কর্মী কে দেখতে পাইলে খুন জখম করবে বলে নানা ধরনের হুমকি দিয়ে ফোন কাটে দেয়।
এই বিষয়ে নওগাঁ সদর সহকারী ভূমি কর্মকর্তার মো শওকত মেহেদী হাসান সেতু সাথে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি বলেন, ১৩ মার্চ কাজী রাফিউল ইসলামকে সৌকজ করা হয়েছে তিনি অফিসে তালা মেরে রাজশাহী নিজ কাজে গিয়েছেন এ জন্য। শামীম এর বিষয়ে অভিযোগ পেয়েছি তাকে বার বার নিষেধ করেছি, আজ সকালেও তাকে নিষেধ করেছি অফিসে যেন কোন দালাল প্রবেশ করতে না পারে। আপনি জানাইলেন আমি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজন ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

পোস্টটি শেয়ার করুনঃ