মোঃ তোফাজ্জল হোসেন স্টাফ রিপোর্টার
নওগাঁ জেলার নিয়ামতপুর উপজেলাধীন ‘বালাতৈড় সিদ্দিক হোসেন ডিগ্রি কলেজ’ এর বহু সমালোচিত ও অর্থ লোভী অধ্যক্ষ মোঃ আমজাদ হোসেন ( আরবি বিষয়) এর পদে পদে বিভিন্ন অনিয়ম বের হয়ে আসছে।
জানা যায় স্বার্থলোভী অধ্যক্ষ মোঃ আমজাদ হোসেনের নানান প্রকার অনিয়ম দেখে কলেজ এলাকাবাসী পুরো এলাকায় ও চায়ের দোকানে দোকানে অধ্যক্ষের অনিয়মের বিরুদ্ধে সমালোচনার ঝড় তুলেছেন ও তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করছেন। এলাকা বাসী বিভিন্ন অভিযোগের পর এবার ঐ কলেজে জাল সনদে শিক্ষক দের চাকরি করার অভিযোগ করেছেন।
কলেজ এলাকা বাসী অভিযোগ করেন যে, উক্ত কলেজে একাধিক শিক্ষকের শিক্ষাগত যোগ্যতা দূর্বল ও শিক্ষক নিবন্ধন সনদ জাল রয়েছে। তার মধ্যে উল্লেখ্য যে দর্শন বিভাগের প্রভাষক বিধান কুমার প্রামানিক ( ইনডেক্স নং N ৩০৯৮৯৬১) ও বাংলা বিভাগের প্রভাষক বিউটি প্রামানিক ( ইনডেক্স নং N ৫৬৭৯৭৪৩০) তাঁদের শিক্ষক নিবন্ধন সনদ জাল রয়েছে। তাঁরা আরো বলেন উক্ত শিক্ষক দ্বয় বহু সমালোচিত অধ্যক্ষ মোঃ আমজাদ হোসেনের সহযোগিতায় দীর্ঘদিন যাবত জাল সনদে চাকরি ও বেতন ভাতাদি ভোগ করে আসছেন।
এলাকা বাসী উক্ত শিক্ষক দ্বয়ের শিক্ষক নিবন্ধন সনদ যাচাই পূর্বক যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্হা গ্রহনের জন্য এটিআরসিএ অফিসে কিছু দিন আগে অভিযোগ করেছেন।
অভিযোগের প্রেক্ষিতে জানা যায় যে এটিআর সিএ এর সহকারী পরিচালক মহোদয় উক্ত কলেজ অধ্যক্ষ কে প্রভাষক বিধান কুমার প্রামানিক ও প্রভাষক বিউটি প্রামানিক এর সকল কাগজ সমূহ স্বল্প সময়ের মধ্যে এটিআর সিএ অফিসে প্রেরণের জন্য নির্দেশ করেছেন।
বিভিন্ন তথ্য মতে জানা যায় যে বিভিন্ন অভিযোগে অভিযুক্ত অধ্যক্ষ মোঃ আমজাদ হোসেন ১৯৭০ সালে প্রতিষ্ঠীত স্বনামধন্য বালাতৈড় সিদ্দিক হোসেন ডিগ্রি কলেজের মান, ঐতিহ্য ও সুনাম অর্জন তথা উন্নয়নের ধারা নষ্ট করে দিচ্ছেন।
জানা যায় যে, কলেজ এলাকার প্রতিটি বয়স্ক মানুষ গণ ও আমজনতা, শিক্ষক ও ছাত্র সমাজ কলেজের স্বার্থে স্বল্প সময়ের মধ্যে জাল সনদ ধারী শিক্ষকদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন এবং নানা অভিযোগে অভিযুক্ত অধ্যক্ষ মোঃ আমজাদ হোসেন এর স্থায়ী বরখাস্ত দাবি করছেন।

পোস্টটি শেয়ার করুনঃ