নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি:
রাত পোহালেই ‘ঈদ’ আর তার মধ্যেই শেষ মুহূর্তে জমে উঠেছে পশু কোরবানির হাটগুলো।
তবে দাম যেমনই হোক না কেন, এই বছরের কোরবানির শেষ দিনটাই কেউ বিমুখ হতে চান না। পরিবার আত্মীয়-স্বজনদের নিয়ে ভালোভাবে ঈদ পালন করতে চান।
এদিকে বদলগাছী উপজেলার তিলকপুর গ্রামের “আবুল কালাম” জানান, গোখাদ্যের দাম বেশি হওয়ায় গরু পালনে খরচ বেড়ে গেছে। এ কারণে বেশি দামে বিক্রি করতে না পারলে এবার খামারিদের লোকসান গুনতে হবে।

জেলার সবচেয়ে বড় গরু কেনাবেচার হাট মান্দার সতিহাট, মহাদেবপুর, মাতাজী ও সাপাহারের দিঘীর হাট। এসব হাটে গরু ও ছাগল কেনার পর অতিরিক্ত টোল নেওয়ার অভিযোগ করছেন ক্রেতারা।

হাটে ইজারা টোলের চার্ট টাঙানোর বিধান থাকলেও তা মানা হচ্ছে না কিছু হাটে। বিশেষ করে এমনটা দেখা গেছে, মহাদেবপুর, মাতাজিহাট ও সাপাহারের দিঘীরহাট। নওগাঁ জেলা প্রশাসন প্রতিটি ছাগল ও ভেড়া ১৫০ টাকা এবং গরু ও মহিষ ৩৫০ টাকা টোল নির্ধারণ করেছে। তবে বাড়তি টাকা নেওয়ার কথা অস্বীকার করেছেন হাটের ইজারাদাররা।

এদিকে হাটগুলোতে জাল টাকা ব্যবহার রোধসহ কেনাবেচার নিরাপত্তা নিশ্চিতে সব রকম প্রস্তুতি নিয়েছে জেলা পুলিশ।

এবার জেলায় কোরবানির জন্য পৌনে দুই লাখ গরু, ৩৫ হাজার ছাগল ও ভেড়া খামারিরা প্রস্তুত করেছে বলে জানায় প্রাণিসম্পদ বিভাগ।

প্রাণিসম্পদ বিভাগের তথ্যমতে, জেলায় এবার কোরবানির জন্য পশুর চাহিদা রয়েছে ১ লাখ ৬০ হাজার। এসব পশু কেনাবেচার জন্য ৭৫টি গরু-ছাগলের হাট বসানো হয়েছে।

পোস্টটি শেয়ার করুনঃ