নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

চলতি মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহেই খুলে দেয়া হচ্ছে বাস র‍্যাপিড ট্রানজিট (বিআরটি) প্রকল্পের টঙ্গী রেলগেট থেকে উত্তরা পর্যন্ত উড়ালসড়কের একাংশ।
এর মাধ্যমে টঙ্গী থেকে ঢাকায় ঢুকতে ব্যবহার হবে নতুন পথ। এই অংশ চালু হলে টঙ্গী ব্রিজের দ্বিতীয় অংশের কাজ শুরু করবে কর্তৃপক্ষ। তবে হেঁটে চলাচলের জন্য নিচের বেইলি ব্রিজটি চালু থাকবে বলেও জানিয়েছে কতৃর্পক্ষ।

মাস তিনেক আগেই শেষ হয়েছে এ উড়ালসড়কের কাজ। তবে টঙ্গী ব্রিজের একপাশের কাজ শেষ হওয়ার জন্যই খোলা যাচ্ছে না পুরো সড়ক। সে ক্ষেত্রে খুলতে হবে আসা-যাওয়ার পথ।

অবশেষে সেই দোটানা থেকে বেরিয়ে ঢাকায় ঢোকার পথটিই খুলে দিচ্ছে কর্তৃপক্ষ। টঙ্গী রেলগেট থেকে সরাসরি চলে আসা যাবে উত্তরায়। বিআরটির এই পথে মোট ছয়টি লেন রয়েছে। দুটি আসার, দুটি যাওয়ার আর মাঝের দুটি লেন বিআরটি পরিবহনের। আপাতত আসা-যাওয়া মিলিয়ে একটি পথ তৈরি করা গেলেও ওপরে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা নির্বিঘ্ন করতে বেশকিছু পরামর্শ দিয়েছে ট্রাফিক বিভাগ, সেসব কাজ সেরে এখন চলাচলের জন্য প্রস্তুত।

বিআরটি কর্মকর্তা বলছেন, এ মাসের প্রথম সপ্তাহে শেষবারের মতো পরিদর্শন শেষেই খুলে দেয়া হবে এ পথ।

ঢাকা বিআরটি কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সফিকুল ইসলাম বলেন, ট্রাফিক পুলিশ থেকে এবং আমাদের যারা প্রকল্পের কাজে বা নিরাপত্তার কাজে নিয়োজিত আছেন তাদের কাছ থেকে অনেক সাজেশন পেয়েছি, সেগুলো মাথায় রেখেই আমরা বাস্তাবায়ন করে যাচ্ছি। এ সপ্তাহের মধ্যেই খুলে দেয়া হবে এ সড়ক, আমরা প্রস্তুত আছি, তবে নিরাপত্তার বিষয়ে নতুন কোনো ইস্যু সৃষ্টি না হয়, তাহলে আমরা আমাদের দিক থেকে খুলে দিতে পারব।

তবে পুরোপথ চালু হলেও ব্রিজের অংশ এখনও শেষ হয়েছে অর্ধেক। কর্তৃপক্ষ বলছে, এইপাশ চালু হলে কাজ শুরু হবে সেতুর। তাইতো স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন জাগে নতুন সেতুর কাজ শেষ হলে হেঁটে পারাপারের ব্যবস্থা থাকবে তো?

সফিকুল ইসলাম আরও বলেন, বেইলি ব্রিজটা আসলে এটা ছিল সাময়িক ব্যবহারের জন্য, কিছুদিন হয়তো রেখে দেব, ওভার ব্রিজের ওপর দিয়ে পার হতে হয়, তাহলে একবার উঠতে হবে, একবার নামতে হবে, দূরত্বটাও অনেক বেশি, স্বাভাবিকভাবে কারো জন্য সহজ হবে না। ব্রিজের কাজটা শেষ হয়ে গেলে এক গ্রেডে বা শুধু খাল পারাপারের ক্ষেত্রে কোনো ব্যবস্থা করা যায় কিনা।

প্রতিটি পয়েন্টে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করে অক্টোবরেই পুরোদমে কাজ শুরুর কথা জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

পোস্টটি শেয়ার করুনঃ