কুমিল্লা জেলা লাকসাম উপজেলা নরপাটি ইউনিয়ন নরপাটি গ্রামে, উওর পাড়া আদর্শ বাড়িরর জাতীয় দৈনিক আশ্রয় পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার মোঃ মনির হোসেন সহ পরিবারের সবার উপরে হামলা হয় গত রবিবার ১৮/০৯/ ২০২২ ইং, রাত আনুমানিক ১১.৩০ মিনিটের সময় হামলা ও বাড়ি ঘর ভাংচুরের ঘটনা ঘটে।
এই হামলার সময় দৈনিক জাতীয় আশ্রয় প্রতিদিন স্টাফ রিপোর্টার মোঃ মনির হোসেনের ( মা) বোন ও তার মেয়ে ৭ম শ্রেণির ছাত্রী সহ তাদের পরিবারের সকলে এই হামলার শিকার হয়েছেন, এমন নেক্কার জনক ঘটনা আগে কোথাও ঘটেনি আমাদের জানামতে ১/ মোঃ রবিউল হোসেন (২৫) পিতা জাপর (৫৫) ২/ খোকন হোসেন (২৬) পিতা তাজুল ইসলাম (৪৫) ৩ / মোঃ রপিক হোসেন (৩২) পিতা মৃত্যু সিদ্দিকুর রহমান/ ৪ মোঃ জাপর (৫৫)পিতা মৃত্যু আব্দুল গনি,৷ ৫/ মোস্তফা কামাল ৬০ পিতা মৃত্যু আব্দুল গনি, ৬/ রেহেনা আক্তার ( ৩৪) ৭/ নাজমা আক্তার( ৩৩) পিতা হাছান আলি (৭০) ৮/ পারুল আক্তার (৪৫) পিতা সুরুজ মিয়া (৭০) গং সরজমিনে গিয়ে জানাযায়,

বক্ত ভোগী বলেন তাদের সাতে জায়গা জমি নিয়ে আরও একবার মা-রা মারিহয়েছে, এই বিষয়ে আমরা কোটে মামলা করি, সেই মামলায় কুমিল্লা জেলা দায়রা জজ কোটে রায় দেয় এবং তারা মুচলেকা দিয়ে আসে রফিক গং জীবনে আর কোন দিন আমাদের সাথে ঝগড়ায় লিপ্ত হবে না,

রফিক গং গত ১৭/ ৯/ ২০২২ ইং বাড়িতে আসলে ১৮/৯/২০২২ইং তারিখ রাতে এই ঘটনা ঘটায়।

সাংবাদিক মনির হোসেনের ছোট ভাই মোঃ হাছান আমাদের কে জানার সে বাড়িতে আসছে ছুটি নিয়ে, ঢাকা থেকে বাড়িতে আসেন জায়গা নিয়ে একটা মামলার হাজিরা দিতে। সেই সুবাদে বাড়িতে আসা, হাছান এবং তার স্ত্রী রাতে ঘুমাতে গেলে, হঠাৎ বাহিরে ঘরের কোনে শব্দ শুনতে পায়,
ঘর থেকে বাহির হয়ে হাছানের স্ত্রী দেখে ঘরের কোনে মাটি খুড়ে কে জানি ঘরে ঢোকার জন্য মাঠি খুড়তেছে,

এসময় হাছানের স্ত্রী চিৎকার করলে হাছান ঘর থেকে বের হয়ে দেখেন রফিকে,

রফিকে দেখে আমি হাছান চুর চুর বলে চিৎকার করলে, আমার পরিবারের সবাই বের হয়ে আসে।

আমার পরিবারের লোক ঘর থেকে বের হয়ে, আসতে আসতে তার পরিবারের সবাই এসে আমাদের কে হামলা করে,

রপিক সহ তার পরিবারের সবাই মনে হয় আগে থেকে সব ধরনের, প্রস্তুতি নিয়ে রাখছে আমাদের উপরে হামলা করার জন্য এমনটাই বুঝা গেল তাদের হামলার নমুনা দেখে হামলার সময় আহত হয় আমার ভাই সাংবাদিক মনির হোসেন, মনির হোসেনের স্ত্রী সহ পরিবারের সবাই,

এসময় সাংবাদিক মনির হোসেনের এর স্ত্রীকে গুরুতর আহত অবস্থায় কুমিল্লা কচুতলি সরকারি হাসপাতাল নিয়ে যাওয়া হয়।

সত্যতা যাচাই করতে গ্রামের মাতাব্বার, চাঁন মিয়া(৫০) পিতা সালামত উল্লাহ কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি জানান রবিউল হোসেন গংদের নিয়ে চেয়ারম্যান অফিসে কয়েক দফা বৈঠক হয়।

চেয়ারম্যান অফিসে বৈঠক হওয়ার পর তারা চেয়ারম্যান অফিসের রায় মানে নাই বিধায় কোর্টে মামলা হয়, কোর্টে মামলা হওয়ার পর থানায় রেফার করে মামলা মীমাংসা করার জন্য মামলা যখন থানায় কোন প্রকার মীমাংসা করতে পারেনি,

পূনরায় আবার কোর্টে যেতে হয় শেষ পর্যন্ত কোর্ট থেকে রফিক গংরা মুচলেকা দিয়ে আসে,আর কোন দিন সাংবাদিক মনির দের উপর আর কোন দিন খারাপ আচরণ বা হামলা করবেনা বলে রফিক, এই বিষয়ে রফিক ও তার পরিবারের সাথে কথা বলতে চাইলে বাড়ির মহিলা মুরুব্বি বলে তাহারা বাড়িতে নাই,

এসময় সাংবাদিক মনির হোসেন বলেন আমি দেশের জন্য দশের জন্য কাজ করি, আমি আইনের প্রতিশ্রদ্ধা রেখে এই ঘটনার ন্যায় বিচার চাই, লাকসাম উপজেলা নির্বাহি অফিসার লাকসাম উপজেলার আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কুমিল্লা জেলা আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যদি আমার দিকে দৃষ্টিতে তাকায় তাহলে আমি বিচার পাব বলে আশা করি।

পোস্টটি শেয়ার করুনঃ