মোঃ সোলায়মান হাওলাদার
বরিশাল বিভাগীয় প্রতিনিধিঃ

পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় সাপ্তাহিক ছুটির সাথে দুর্গাপূজার ছুটি মিলে যাওয়া পর্যটকদের ভিড় বাড়ছে। সূর্যোদয় আর সূর্যাস্তের বেলাভূমি সাগরকন্যা কুয়াকাটা এখন পর্যটকদের আনাগোনায় মুখর হয়ে উঠেছে। সমুদ্রের নোনা জল অবগাহনে আনন্দ-উন্মাদনায় মেতেছে উঠেছেন পর্যটকরা। আকাশে সাদা মেঘের ভেলা, দক্ষিণের নির্মল বাতাস, দরিয়ার অথৈ নীল জলরাশি। সৈকতের লাল কাঁকড়ার অবাধ বিচরণ, এমন নান্দনিক রূপ মুগ্ধ নয়নে পর্যটকরা কুয়াকাটায় উপভোগ করছেন। কেউ আবার সেল্ফি তুলে স্মৃতিকে বাঁচিয়ে রাখছেন আর পোষ্ট করছেন ফেসবুকে। কেউ আবার সৈকতের বেঞ্চিতে বসে উপভোগ করছেন অসীম সাগরের সীমাহীন মনকাড়া রূপ।
স্থানীয়রা জানান, আগের তুলনায় পর্যটকের উপস্থিতি অনেকটা বেড়েছে। কুয়াকাটার কুয়া, সৈকতের লেম্বুরবন, গঙ্গামতির লেক, লাল কাঁকড়ার চর, মিশ্রিপাড়া বৌদ্ধ বিহার, শ্রী মঙ্গল বৌদ্ধ বিহার, রাখাইন পল্লীসহ বিভিন্ন দর্শনীয় স্পটগুলো ঘুরে দেখছেন পর্যটকরা। থেমে নেই সৈকতে ফটোগ্রাফার ও ঘোড়ার দৌঁড়। আবার অনেকেই সৈকতের দোকানগুলোতে কাঁকড়া, চিংড়িসহ নানা ধরনের সামুদ্রিক মাছের ফ্রাই ও বার-বি-কিউ উপভোগ করছেন। এছাড়া ফুচ্কা চটপটির দোকানগুলোতেও ভিড় লেগেই রয়েছে।
সংশ্লিষ্ট পর্যটন ব্যবসায়ীরা জানান, আগে ফেরি পার হয়ে ঢাকা থেকে সড়কপথে কুয়াকাটায় যেতে সময় লাগতো ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা। এখন পদ্মা সেতু চালু হওয়ায় সেই ভোগান্তিও কমেছে। মাত্র ৬ ঘণ্টার মধ্যে এখানে পৌঁছানো যায়। তাই ভ্রমন পিপাসুরা ভ্রমন স্পট হিসাবে কুয়াকাটাকেই বেছে নিয়েছেন ।
সৈকত লাগোয়া ব্যবসায়ীরা বলেন, পদ্মা সেতু উদ্বোধনের পর থেকেই আগের তুলনায় বেশি পর্যটক আসতে শুরু করেছে। তাই বেচা বিক্রিও বেড়ে গেছে। তবে সরকারি ছুটি কিংবা বিশেষ কোন দিনে পর্যটক বেশি থাকে।

পোস্টটি শেয়ার করুনঃ