স্বপন কুমার রায়, খুলনা ব্যুরো প্রধান:
দাকোপে রাসনিক সারের ব্যাবহার বর্জন করে
জৈব্য সার দিয়ে কৃষি উৎপাদনকৃত সাক-সবজী
ও বিভিন্ন ফলমূলের পশড়া বসিয়ে দিনব্যাপী ইকো-মেলা ও পণ্য পদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই মেলার মূল প্রতিপাদ্য বিষয় ছিল বাস্ততন্ত্রের পূনরুদ্ধার জৈব বাঁচাই জৈবে বাঁচি।কারিতাস লুস্ক্রেমবার্গ এর আর্থিক সহায়তায় বিএএসপির চেঞ্জ রেজিলিয়েন্স ফুট সিকিউরিটি (সিসিআরএফএস) প্রজেক্ট এর সহায়তায় বৃহস্পতিবার সকাল থেকে উদ্যোক্তা ও বিভিন্ন স্থান থেকে আগত দর্শনার্থীদের পদচারণায় মুখরিত হয় ইকো মেলা প্রাঙ্গণ। আমাদের খুলনা প্রতিনিধি স্বপন কুমার রায় জানান,২১ মার্চ বৃহস্পতিবার সকাল ১০ টারদিকে দাকোপের লাউডোব বাজার পুজা মন্দির প্রাঙ্গনে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্হা বাংলাদেশ এসোশিয়েশন ফর সাসটেইনেইবেল ডেভেলপমেন্ট (বিএএসডি)’র আয়োজন এই মেলা অনুষ্ঠিত হয়।এ মেলায় নারী পুরুষদের উৎপাদিত রাসনিক সার ও কিটনাশক ব্যাবহার না করে নিজেদের হাতে তৈরী করা জৈব সার দিয়ে উৎপাদিত সাক সজবী ও ফল সহ বিভিন্ন কৃষি নিয়ে পণ্যনিয়ে আয়োজন করা হয় ইকোমেলা এসকল কৃষিজাত পন্য নিয়ে ১২ টি গ্রামের ২৪ টি দলের স্টল ছিল।
বিএএসডির প্রগাম কো-অডিনেটর উজ্জ্বল এম কস্তা সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্হিত ছিলেন দাকোপ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মুনসুর আলী খান।,বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্হিতছিলেন,,সমাজ সেবা কর্মকর্তা প্রজিত রায়,মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা সুরাইয়া সিদ্দিকা সমবায় কর্মকর্তা মিজানুর রহমান, ,বানীশান্তা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সুদেব রায়,দাকোপ ইউপি চেয়ারম্যান বিনয় কৃষ্ণ রায় বিএএসডির প্রজেক্ট ম্যানেজার পরিতোষ কুমার মৃধা সহ সকল
কর্মকর্তা কর্মি বৃন্দ,এবং মোংলা ও দাকোপ উপজেলার স্বনির্ভর দলের সদস্যরা প্রমূখ।
অতিথি বৃন্দ বলেন, নিরাপদ খাদ্যের জন্য সকলের উচিৎ জৈব সবজি চাষ করা এবং লবনাক্ত এলাকার জন্য মাছ চাষের পাশাপাশি লবনসহিষ্ণু ফসলের চাষাবাদে এগিয়ে আসা। তাই সকলের সমন্বিত উদ্দোগ্যের মাধ্যমে ব্যাপক হারে জৈব সার তৈরী করে ধান ও সবজি চাষ করতে পারলেই আমাদের শিশুদের নিরাপদ ভবিষ্যৎ আমারাই গড়তে পারবো। রাসায়নিক সার বর্জন এবং জৈব কৃষি বর্ধনে সকল কৃষকের প্রতি উদাত্ত আহবান জানানো হয়।
কারিতাস লুস্ক্রেমবার্গ এর আর্থিক সহায়তায় বিএএসপির চেঞ্জ রেজিলিয়েন্স ফুট সিকিউরিটি (সিসিআরএফএস) প্রজেক্ট এর সহায়তায় বৃহস্পতিবার সকাল থেকে উদ্যোক্তা ও বিভিন্ন স্থান থেকে আগত দর্শনার্থীদের পদচারণায় মুখরিত হয় ইকো মেলা প্রাঙ্গণ। মেলা পরিদর্শন শেষে সমাজের বৈষম্য নিরসনে ও নারী অধিকার উপলক্ষে জারিগান পরিবেশন করা ও পুরুস্কার বিতারণ করা হয়।

পোস্টটি শেয়ার করুনঃ