নাজমুন নাহার মলি
ষ্টাফ রিপোর্টারঃ

দর্শনার্থীদের নিরাপদ ও আনন্দপূর্ণ ভ্রমনের পরিবেশ সৃষ্টির লক্ষ্যে অংশীজনদের সাথে ট্যুরিস্ট পুলিশ বরিশাল জোনের উদ্যোগে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বরিশালের অন্যতম পর্যটনস্পট গুঠিয়া বাইতুল আমান জামে মসজিদ প্রাঙ্গনে ট্যুরিস্ট পুলিশ বরিশাল জোনের উদ্যোগে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ট্যুরিস্ট পুলিশ কুয়াকাটা রিজিয়নের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ বলেন, বরিশালের পর্যটন স্পট গুলোর মধ্যে অন্যতম একটি স্পট হচ্ছে ঐতিহ্যবাহী গুঠিয়া বাইতুল আমান জামে মসজিদ কমপ্লেক্স। এখানে ২০ হাজার অধিক ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন ঈদগাহ্ ময়দান রয়েছে।
কমপ্লেক্সের মূল প্রবেশপথের ডানে বড় পুকুর। পুকুরের পশ্চিম দিকে মসজিদ অবস্থিত এবং এর মিনারটির উচ্চতা প্রায় ১৯৩ ফুট। প্রতি শুক্রবার এখানে হাজার হাজার মুসুল্লিদের সমাগম ঘটে।
এখানে ভ্রমন করতে আসা পর্যটকদের নিরাপত্তা দেয়া আমাদের ইমানী দ্বায়িত্ব।পুলিশের একার পক্ষে এ দায়িত্ব পালন করা সম্ভব নয়। তাই আপনারা এখানের সকল প্রকার তথ্য দিয়ে আমাদের সহযোগিতা করবেন।আপনাদের সহযোগিতার মাধ্যমে এই ট্যুরিস্ট স্পটটি ভ্রমন পিপাসুদের নিরাপদ ভ্রমনে সহায়ক হবে।
এ সময় তিনি আরও বলেন, স্বপ্নের পদ্মা সেতু চালু হওয়ায় এ পর্যটন স্পটটির গুরুত্ব আরও বেড়ে গেছে।এখানে দিন দিন পর্যটকদের সমাগম বৃদ্ধি পাচ্ছে।এর মাধ্যমে এ অঞ্চলের মানুষের আর্থসামাজিক উন্নয়ন সাধিত হবে।যোগাযোগ ব্যাবস্থার আরো উন্নতি হবে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ বলেন,পর্যটন ক্ষেত্রে অপার সম্ভাবনাময় একটি স্থান হচ্ছে বাংলাদেশ। প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্য মন্ডিত এ দেশে টেকসই উন্নয়নের জন্য টেকসই নিরাপত্তার দরকার।পর্যটন পুলিশ সে লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। পর্যটন স্পট গুলোর সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারলে দেশী-বিদেশী পর্যটকদের সমাগম বেশী হবে, জিডিপি বাড়বে।দেশের অর্থনীতির চাকা আরও সচল হবে।
এছাড়াও তিনি বাইতুল আমান জামে মসজিদে ঘুরতে আসা পর্যটকদের সার্বিক খোঁজ নেন এবং তাদের পাশে থেকে সব সময় সার্বিক সহযোগিতা ও নিরাপত্তা প্রদানের আশ্বাস দেন।স্থানীয় ব্যবসায়ীদের নিরাপত্তা সংক্রান্ত যে কোন বিষয়ে ট্যুরিস্ট পুলিশকে অবহিত করতে অনুরোধ জানান। পরে সাধারণ ব্যবসায়ী ও স্থানীয়দের কাছে ট্যুরিস্ট পুলিশের ফোন নাম্বার দেন এবং এ পর্যটন স্পটের সার্বিক নিরাপত্তার জন্য সাধারণ মানুষকে ট্যুরিস্ট পুলিশকে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করার অনুরোধ জানান।
সময় অন্যান্যর মধ্যে আরও বক্তব্য রাখেন, ট্যুরিস্ট পুলিশ বরিশাল জোনের ইন্সপেক্টর মো. শহিদুল ইসলাম,গুঠিয়া ইউপি চেয়ারম্যান মো. আওরঙ্গ জেব হাওলাদার,গুঠিয়া ইউনিয়ন আ’লীগ সেত্রেটারী এস এম মিন্টু, ইউপি সদস্য শহিদুল ইসলাম, ডহরপারা দারুল উলুম মাধ্যমিক প্রধান শিক্ষক রফিকুর রহমান( জগলুর লস্কর), গুঠিয়া ট্যুরিস্ট পুলিশ কমিউনিটি পুলিশিংয়ের সভাপতি মো. সাহেব আলী সরদার,গুঠিয়া বাইতুল আমান জামে মসজিদের ইমাম মাও. মো. সিদ্দিকুর রহমান,গুঠিয়া ইউনিয়ের ১,২,৩ সংরক্ষিত মহিলা ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য শারমিন, ট্যুরিস্ট পুলিশ বরিশাল জোনের সদস্যরা সহ স্থানীয় গন্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ প্রমুখ।

পোস্টটি শেয়ার করুনঃ