এম,ডি রেজওয়ান আলী বিরামপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি-দিনাজপুর বিরামপুরে ঠান্ডা কনকনে তীব্র শীতে বিপর্যস্ত সাধারণ মানুষ। তীব্র শীতে শ্রমজীবী মানুষ বিপর্যস্ত বেশি হয়েছে।
জেলা অন্তর্ভুক্ত বিরামপুর উপজেলায় তীব্র শীতে কাহিল হয়ে পড়েছে সাধারণ ও শ্রমজীবীর জন জীবন। গত কয়দিনের হিম ও শীতল বাতাসের সাথে কনকনে শীতের প্রকট বেশি হবে ঝরে পড়ছে অঝরে বৃষ্টি। এমন অবস্থায় বিশেষ করে শ্রমজীবী খেটে খাওয়া মানুষ ঠিক করে কোন কাজকর্ম তেমন একটা করতে পারছেন না শ্রমিকরা জানান। আজ সরেজমিনে দেখা যায়,
শনিবার (১৩ জানুয়ারি-২৪) সারাদিন হিমশীতল বাতাসের সঙ্গে তাল মিলিয়ে তীব্র শীতল বেশি হয়ে পড়ছে কুয়াশা।
এই ঘন কুয়াশায় রাস্তাঘাট কুয়াশায় ঢাকা পড়েছে। ফলে বিরামপুর উপজেলাবাসি বিভিন্ন কাজকর্মে চলাচলে ব্যাহত হয়ে পড়েছে। এ শীতে ঘন কুয়াশায় কনকনে বাতাসে নিম্ন আয়ের মানুষদের অবস্থা নাজুক হয়ে পড়েছে। বিপাকে পড়েছেন দিনমজুর ও ক্ষেতমজুরসহ শ্রমজীবী সাধারণ মানুষ। এর পাশাপাশি গবাদি পশু গুলো কাহিল হয়ে পড়েছে। এসময় কৃষকরা তাদের গবাদি পশুগুলোকে শীত থেকে রক্ষা করতে চটের বস্তা পরিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করতে দেখা যায়। সাধারণ মানুষগুলো শীত নিবারনের জন্য একসাথে বসে-দাঁড়িয়ে খড়ের আগুন জালিয়ে শীত নিবারনের চেষ্টা চালাচ্ছে। দিনাজপুর-বিরামপুরে হাইওয়ে স্হানীয় লোকাল রোডে বাস-ট্রাক,মাইক্রো,কার,মোটরসাইকেল,ভ্যান রিক্সা ঘন কুয়াশার কারনে দিনের বেলায় চালাতে হচ্ছে হেড লাইট। এবিষয়ে দিনাজপুর আবহাওয়া দপ্তরের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো.আসাদুজ্জামান আসাদ বলেন,আজ তাপ মাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৮.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। উল্লেখ্য,
গত বৃহস্পতিবারের (১১ জানুয়ারি) চেয়ে আজ শনিবার (১৩ জানুয়ারি) তাপামাত্রা ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমে এসেছে।
আজশনিবার (১৩ জানুয়ারি) সকাল ৬টায় জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৮.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসের আদ্রতা ৯৭ শতাংশ এবং বাতাসের গতি ০১ নটস। একইভাবে সকাল ৯টায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস,বাতাসের আদ্রতা ৯৭ শতাংশ এবং বাতাসের গতি ০৩ নটস। অথচ বৃহস্পতিবার (১১ জানুয়ারি) দিনাজপুর জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসের আদ্রতা ৯৭ শতাংশ এবং বাতাসের গতি ২ নটস। তিনি বলেন, নতুন বছরের শুরুতেই হঠাৎ করে তাপমাত্রা কমে যাওয়ায় জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। অনেকে খড় কুটো জ্বালিয়ে শীত বিরারণের চেষ্ট করছেন। এদিকে সরকারিভাবে বরাদ্দ কৃত শীতবস্ত্র কম্বল অনেক আগেই বিতরণ শেষ হয়েছে। ফলে এই শীতে নিম্ন আয়ের মানুষদের কষ্টের চিত্র বিরল আকার ধারণ করা হয়েছে।

পোস্টটি শেয়ার করুনঃ