স্টাফ রিপোর্টার:

আমি আ.ক.ম. মোজাম্মেল হক বিগত তিনটি নির্বাচনে আপনাদের প্রতিনিধি হিসাবে জাতীয় সংসদে আইন প্রণেতার দায়িত্ব পালন করে
আসছি। এই দীর্ঘ ১৫ বছরে কায়মনোবাক্যে আপনাদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে সচেষ্ট থেকেছি। কতটুকু সফল হয়েছি তা বিবেচনার
দায়িত্ব আপনাদের। দল-মত নির্বিশেষে গাজীপুর-১ আসনের লোকজন যাতে ভাল থাকে সেই চেষ্টাই করেছি। আপনাদের ভালবাসায়
আমি সিক্ত ও যারপরনাই কৃতজ্ঞ। আগামী ৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আমার দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ
আমাকে মনোনয়ন দিয়েছে। তাই চতুর্থবারের মত আমি আপনাদের দুয়ারে হাজির হয়ে নৌকা মার্কায় ভোট প্রার্থণা করছি। গত ১৫
বছরে সারাদেশের মতোই গাজীপুর-১ আসনেও দৃশ্যমান উন্নতি হয়েছে। যোগাযোগ ব্যবস্থার (সড়ক-সেতু-রেল) উন্নয়ন ঘটেছে
অভাবনীয়। শিক্ষা-প্রতিষ্ঠান নির্মাণ-সংস্কার এই খাতের খোলনলচে পাল্টে দিয়েছে। একাধিক মডেল মসজিদ, হাই-টেক রেলওয়ে
স্টেশন, বাস্তবায়নাধীন হাই -টেক পার্ক, বঙ্গবন্ধু ডিজিটাল বিশ্ববিদ্যালয় বিনির্মাণ গাজীপুর-১ আসনের অধিবাসীদের জন্য গর্বের বিষয়।
আপনাদের সঙ্গে ১৫ বছরের নিরবিচ্ছিন্ন পথ চলার সময় কিছু ভুলভ্রান্তি হওয়া স্বাভাবিক। বিশ্বাস রাখবেন, আমার সারা জীবনে
ইচ্ছেকৃতভাবে কাউকে ছোট করে দেখার সংস্কৃতিতে আমি বিশ্বাসী নই । তবু অজান্তে কেউ কষ্ট পেয়ে থাকলে নিজগুণে ক্ষমা করে বঙ্গবন্ধু
ও জননেত্রী শেখ হাসিনার নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে পুনরায় আপনাদের খেদমত করার সুযোগ দিয়ে কৃতজ্ঞতার বন্ধনে আবদ্ধ করবেন।

অগ্রাধিকার ভিত্তিতে যেসব প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে।

১. কালিয়াকৈর-ঢাকা রুটে সাটল ট্রেন চালু। বঙ্গবন্ধু আইটি পার্ক পূর্ণাঙ্গ চালু হলে সেখানে প্রায় ৪ লাখ লোকের কর্মসংস্থান হবে।
এ সব প্রতিষ্ঠানে কর্মরতসহ সর্বসাধারণের রাজধানী থেকে কালিয়াকৈরে আসা সহজতর করতে বিশেষ এ প্রকল্প নেওয়া
হয়েছে। ইতোমধ্যে প্রকল্পের জয়দেবপুর- কালিয়াকৈর অংশের কাজ সমাপ্ত হয়েছে।
২. কালিয়াকৈরে বঙ্গবন্ধু হাইটেক পার্ক সংলগ্ন ৫০ একর জমির উপর বঙ্গবন্ধু ডিজিটাল বিশ্ববিদ্যালয়টি স্থাপনের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে
উন্নত সমৃদ্ধ ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠনে ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহার করে দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি, উচ্চ শিক্ষায় গবেষণা,
উদ্ভাবনীতে উৎকর্ষ সাধন। এ ছাড়া অনলাইন শিক্ষার প্রসার ঘটিয়ে দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে এটিকে শ্রেষ্ঠ বিশ্ববিদ্যালয় হিসাবে
প্রতিষ্ঠা করা।
৩.
বঙ্গবন্ধু ডিজিটাল সিটি-কে বাংলাদেশের ‘ডিজিটাল পার্ক’র রাজধানী’ হিসাবে গড়ে তোলা ।
৪. ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের হোতাপাড়া-পিরুজালী-মধ্যপাড়া-চন্দ্রা পর্যন্ত নতুন একটি বাইপাস সড়ক নির্মাণ করা হবে।
সরকারের সড়ক ও জনপথ বিভাগ এই প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে।
৫. নির্বাচনী এলাকায় শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণ পরিকল্পনা শিগগিরই বাস্তবায়নের উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।
৬. বৃত্তিমূলক শিক্ষার প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করে কালিয়াকৈরে একটি ‘পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট’ নির্মাণের নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ
করা হয়েছে।
৭. কালিয়াকৈর বাজার বাস্তবতার নিরিখে সম্প্রসারণ করা হবে।
৮. চাপাইর ব্রিজ থেকে মির্জাপুর হাটুভাঙ্গা সংযোগ সড়ক নির্মাণ করা হবে।
৯. কালিয়াকৈর বাজার সংলগ্ন বংশী নদের উপর ব্রিজ নির্মাণ করে বড়ইবাড়ি হয়ে ভাওয়াল মির্জাপুর পর্যন্ত সড়ক নির্মাণ
সম্প্রসারণ করা হবে।
১০. খালপাড় পল্লীমঙ্গল ব্রিজ নির্মাণ করে চাপাইর ইউনিয়নের সাতকুড়া পর্যন্ত সংযোগ সড়ক নির্মিত হবে।
১১. এছাড়া আশাপুর-বেনুপুর কবরস্থান ব্রিজ, ভৃঙ্গরাজ বামনদহ ব্রিজ, গোয়ালিয়া নদের উপর ব্রিজ, বহেরাতলী- বড়চালা ব্রিজ,
গোয়ালবাথান-বড়দল ব্রিজ নির্মাণ পরিকল্পনাধীন।

পোস্টটি শেয়ার করুনঃ