গাজীপুর মহানগরের গাছা থানাধীন কুনিয়া তারগাছ চান্দরা এলাকায় সালমা আক্তার (২৬) নামে এক নারী পোশাক শ্রমিকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
বুধবার দুপুরে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দিন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

নিহত সালমা আক্তার দিনাজপুর জেলার ফুলবাড়িয়া থানার শালগ্রামের মৃত শহীদ মিয়ার মেয়ে। এ ঘটনায় নিহতের স্বামী মোজাম্মেল হককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সালমা তার স্বামী মোজাম্মেল হকসহ চান্দরা রোডের জনৈক কামাল হোসেনের বাড়ির ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন। প্রতিদিনের মতো তারা রাতের খাবার শেষে নিজেদের শয়নকক্ষে গিয়ে ঘুমিয়ে পড়েন।

ভোর ৪টার দিকে মোজাম্মেল বাড়ির অন্য ভাড়াটিয়াদের ডাকাডাকি শুরু করে বলে, তার স্ত্রী সালমা ঘরের সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গলায় ওড়না পেঁছিয়ে আত্মহত্যা করেছে। পরে বাড়ির লোকজন পুলিশে খবর দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে নিহতের লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

এদিকে মৈরান এলাকায় শুক্কুর আলী (৪৫) নামে এক ব্যক্তি স্থানীয় গফুর জামাল স্কুল এন্ড কলেজের একটি কক্ষের আড়ার সঙ্গে গলায় গামছা পেঁছিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। তিনি গাজীপুর মহানগরের ৩২ নম্বর ওয়ার্ডের মৈরান গ্রামের মৃত চুন্নু মিয়ার ছেলে। পরিবারের আবেদনের প্রেক্ষিতে ময়নাতদন্ত ছাড়া লাশ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে গাছা থানার ওসি মো. ইব্রাহিম হোসেন পিপিএম বলেন, সালমার লাশ মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তার স্বামী মোজাম্মেলকে থানায় আনা হয়েছে। স্বজনদের কেউ এখনও থানায় আসেনি। আমরা খোঁজ খবর নিচ্ছি, পারিবারিক কলহের জেরে এঘটনা ঘটছে কিনা সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আর শুক্কুর আলীর লাশ তার স্বজনদের আবেদনের প্রেক্ষিতে হস্তান্তর করা হয়েছে।

পোস্টটি শেয়ার করুনঃ