মোঃ সোহেল মিয়া (বিশেষ প্রতিনিধি) কিশোরগঞ্জ জেলা পরিষদ নির্বাচন আজ সোমবার (১৭ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত হয়েছে। সকাল ৯টা থেকে বেলা ২টা পর্যন্ত ইভিএম এর মাধ্যমে নির্বাচনের ভোটগ্রহণ করা হয়। এ নির্বাচনের মোট ভোটার ছিলেন ১৫৪৮ জন। তাদের মধ্যে ১৫৩৪ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।

চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ প্রার্থী বর্তমান জেলা পরিষদ প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা এডভোকেট মো. জিল্লুর রহমান বিজয়ী হয়েছেন। চশমা প্রতীক নিয়ে তিনি ৯৬১ ভোট পেয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জেলা জাতীয় পার্টির আহ্বায়ক এডভোকেট মো. আশরাফ উদ্দিন রেনু (আনারস) পেয়েছেন ২৫৮ ভোট।

চেয়ারম্যান পদে মোট পাঁচজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। অন্যদের মধ্যে আশিক জামান এলিন (মোটর সাইকেল) ১৫৯ ভোট, হামিদুল আলম চৌধুরী নিউটন (ঘোড়া) ১৩৬ ভোট ও মো. সেলিম (হেলিকপ্টার) ১৩ ভোট পেয়েছেন।

অন্যদিকে সংরক্ষিত আসনের মহিলা সদস্য পদে ১নং ওয়ার্ডে (কিশোরগঞ্জ সদর, হোসেনপুর ও পাকুন্দিয়া) কামরুন্নাহার লিপি (ফুটবল) নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ২০৩ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ফৌজিয়া জলিল নেন্সি (হরিণ) পেয়েছেন ১৩৯ ভোট।

সংরক্ষিত আসনের মহিলা সদস্য পদে ৩নং ওয়ার্ডে (করিমগঞ্জ ও তাড়াইল) মোছা. সেলিনা খানম (ফুটবল) নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ১১৯ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী শায়লা পারভীন সাথী (টেবিল ঘড়ি) পেয়েছেন ৭৩ ভোট।

সংরক্ষিত আসনের মহিলা সদস্য পদে ৪নং ওয়ার্ডে (ইটনা, মিঠামইন ও অষ্টগ্রাম) নাছিমা আলম (মাইক) নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ১৬০ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সাঈদা আক্তার (বই) পেয়েছেন ১৫৬ ভোট।

সংরক্ষিত আসনের মহিলা সদস্য পদে ৫নং ওয়ার্ডে (ভৈরব, কুলিয়ারচর ও কটিয়াদী) আসমা আহমেদ (টেবিল ঘড়ি) নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ১৬৩ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সানজিদা ইয়াছমিন (হরিণ) পেয়েছেন ১৩২ ভোট।

এছাড়া সাধারণ আসনের সদস্য পদে ১নং ওয়ার্ডে (কিশোরগঞ্জ সদর) মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক (তালা) নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ৮১ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মো. সানোয়ার হোসেন (টিউবওয়েল) পেয়েছেন ৭৪ ভোট।

সাধারণ আসনের সদস্য পদে ২নং ওয়ার্ডে (হোসেনপুর) মাসুদ আলম (টিউবওয়েল) নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ৫৩ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছাবিয়া পারভীন জেনি (ঘুড়ি) পেয়েছেন ৩৯ ভোট।

সাধারণ আসনের সদস্য পদে ৩নং ওয়ার্ডে (পাকুন্দিয়া) মো. শফিকুল ইসলাম (ঘুড়ি) নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ৪৯ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মো. বাবুল আহম্মেদ (টিউবওয়েল) পেয়েছেন ৪৮ ভোট।

সাধারণ আসনের সদস্য পদে ৭নং ওয়ার্ডে (ইটনা) বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. ইসমাইল হোসেন (টিউবওয়েল) নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ৭২ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী খলিলুর রহমান (তালা) পেয়েছেন ৪৮ ভোট।

সাধারণ আসনের সদস্য পদে ৯নং ওয়ার্ডে (অষ্টগ্রাম) বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুল হক হাইদারী (তালা) নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ৫৫ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মো. ছায়েদুর রহমান (টিউবওয়েল) পেয়েছেন ৪৮ ভোট।

সাধারণ আসনের সদস্য পদে ১০নং ওয়ার্ডে (নিকলী) আলহাজ্ব মো. আবু তাহের (তালা) নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ৫৯ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মো. জাকির হোসেন বাতেন (টিউবওয়েল) পেয়েছেন ৩৩ ভোট।

সাধারণ আসনের সদস্য পদে ১১নং ওয়ার্ডে (বাজিতপুর) বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. শাহজাহান মাহবুবুর রহমান (তালা) নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ১১৩ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মো. মাহবুব হাসান কামাল (টিউবওয়েল) পেয়েছেন ৩১ ভোট।

সাধারণ আসনের সদস্য পদে ১৩নং ওয়ার্ডে (কুলিয়ারচর) আব্দুছ ছাত্তার (ঘুড়ি) নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ৪১ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মো. নজরুল ইসলাম (তালা) পেয়েছেন ২৮ ভোট।

এদিকে সাধারণ আসনের সদস্য পদে ১২নং ওয়ার্ডে (ভৈরব) কাইসার আহম্মেদ ভূঞা (ঘুড়ি) ও মো. জাকির হোসেন (তালা) সমানসংখ্যক ৫১ ভোট পেয়েছেন। ফলে এ ওয়ার্ডের ফলাফল ঝুলে রয়েছে।

পোস্টটি শেয়ার করুনঃ