কাজীপুরে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় নিঃস্ব গো-খামারি সরকারি, বেসরকারি ও বিত্তবানদের সহায়তায় আবারও ঘুরে দাঁড়াতে চান। মানবিক সহায়তা চেয়ে তিনি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর একটি আবেদন করেছেন। আজ ২৯/৯/২০২২ইং তারিখ বিকেলে তাঁর প্রতিবেশির বাড়িতে সাংবাদিকদের ডেকে তাঁর নিঃস্বতার গল্প শোনান। সর্বস্ব হারানো এই গো-খামারি আলম মিয়ার বাড়ি উপজেলার চালিতাডাঙ্গা ইউনিয়নের শ্যামপুর গ্রামে।

এ সময় সাংবাদিকদের তিনি বলেন, আমি একজন প্রাণিসম্পদ অফিসের তালিকাভুক্ত গো-খামারি। পাশাপাশি ছাগলও পালন করতাম। গত ছয়মাস আগে আমার ছয়টি বিদেশি জাতের গাভি অসুস্থ হয়ে পড়ে। দুইটি বাঁচাতে পারলেও চারটিকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি। ওই সময় কয়েকটি ছাগলও অজানা রোগে মারা যায়। তখন অন্তত ১৫ লাখ টাকার ক্ষতি হয় আমার।

তিনি বলেন, গত ২৩ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাতে তার টিন শেড থাকার ঘর ও গোয়ালঘরে আগুন লেগে পুড়ে যায়। ঘরে তার গচ্ছিত নগদ পাঁচ লাখ টাকা ছিল তাও পুড়ে গেছে। স্ত্রীর এক ভরি গহনাও পুড়ে শেষ। এখন সব হারিয়ে তিনি দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন। সবার সহযোগিতা নিয়ে আবার ঘুরে দাঁড়াতে চান তিনি।  এসময় উপস্থিত গ্রামের বাবলু মিয়া বলেন, জমিজমা নিয়ে একটা দরবারের তিন লাখ টাকা আলমের কাছে রাখা ছিল। আগুন লেগে তা পুড়ে গেছে।

প্রতিবেশি রফিকুল ইসলাম বলেন, সরকার ও বিত্তবানরা তাঁকে সহযোগিতা করলে হয়ত সে আবার নিজের পায়ে দাঁড়াতে পারবে। এখন সে প্রতিবেশিদের বাড়িতে রাত কাটায়। কাজীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) এবিএম আরিফুল ইসলাম বলেন, আগুন লাগার খবর পেয়ে পরদিন দেখতে গিয়েছিলাম। তখন তাঁকে শুকনো খাবার দেয়া হয়েছে। প্রশাসন থেকে তাঁর জন্য কোন সহযোগিতা করা যায় কিনা দেখছি।

পোস্টটি শেয়ার করুনঃ