উত্তরবঙ্গের ঘর মূখী মানুষের খবর নিয়ে গাজীপুরে প্রতিনিধি , পোশাক কারখানাসহ বিভিন্ন কল-কারখানা একসঙ্গে ছুটি হওয়ায় ঘরমুখো মানুষের চাপ বেড়ে যায় সড়কে। মানুষের ঢল নামে মহাসড়কের বিভিন্ন বাস স্ট্যান্ডগুলোতে। রেল স্টেশনগুলোতেও মানুষের উপচেপড়া ভিড়। স্রোতের মতো মানুষজন ছুটতে শুরু করেছিল গ্রামের দিকে।এদিকে মহাসড়কগুলোতে যানবাহনের চাপ অতিরিক্ত বাড়ায় যানজট সৃষ্টি হয়েছে গাজীপুরের ঢাকা-টাঙ্গাইল ও ঢাকা ময়মনসিংহ সড়কে। ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে গাড়ির দীর্ঘ লাইন। মহাসড়ক দুটিতে নারী-পুরুষসহ বিভিন্ন বয়সের মানুষ ট্রাকসহ পিকআপভ্যানে যাচ্ছে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা তারা রাস্তায় বসে অথবা গাড়ি বসে রোদে পুড়ছে। তবুও কষ্ট করে মানুষ যাচ্ছে। এখনও সড়কে যানবাহনের চাপ রয়েছে। পোশাক শ্রমিক নুরুজ্জামান জানিয়েছেন টানা ৩০ ঘন্টা পর গ্রামের বাড়ি লালমনির হাট জেলার গ্রামের বাড়িতে পৌছাইছি। তিনি বলেন গত- কাল বিকাল ৫.০০ ঘটিকায় যাত্রা শুরু করি,আজ রাত ১২.০০ টায় ঘরে ফিরি।শুরু হওয়া যানজট ক্রমেই দীর্ঘ হচ্ছে। মনে হচ্ছে আজ সারা দিন এই যানজট থাকবে। ঘরমুখো আটকে থাকা এই মানুষগুলো বাড়ি গিয়ে ঠিকঠাক ঈদ করতে পারবে কি না সে নিয়ে সংশয় রয়েছে। তিনি আজ জানিয়েছেন, হাজার হাজার নারী ও শিশুরা ট্রাকের ওপর প্রচণ্ড রোদে পুড়ছে। আর রাত থেকে গাড়ি থেমে থাকায় রাস্তার পাশেই প্রাকৃতিক ডাকে সাড়া দিচ্ছেন অনেকেই। এই কষ্ট বলার অপেক্ষা রাখে না। এবার ঈদ শুধু নয় প্রতিবছর ভোগান্তি ও কষ্ট করে উত্তরবঙ্গের মানুষ।

পোস্টটি শেয়ার করুনঃ