নিজস্ব প্রতিনিধি:মোঃ সোলায়মান হাওলাদার

ঝালকাঠি জেলার রাজাপুরে উত্তর তারাবুনিয়া ছিদ্দিকীয়া দাখিল মাদ্রাসার সুপারেন্ট মাওঃ জুলফিকার আলির দুর্নীতির খবর পাওয়া গেছে ।
তার দুর্নীতির বিরুদ্ধে গ্রামবাসীর পক্ষে দৈনিক আবুল হোসেন নামে এক ব্যাক্তি ঝালকাঠি জেলা শিক্ষা অফিসার বরাবর একটা আবেদন করেছেন।
উক্ত আবেদনে তার দুর্নীতি বন্ধ করে মাদ্রাসার শিক্ষার মান ভালো যাহাতে হয় এর জন্য শিক্ষা অফিসার কে সঠিক তদন্ত করে প্রতিকার নেওয়ার জন্য জোড় দাবী জানিয়েছেন । স্বাক্ষী প্রমানসহ আবেদনে দুর্নীতির দিক গুলো উল্লেখ করেন । আবেদনে তিনজন স্বাক্ষীর নাম উল্লেখ করা আছে।
মাদ্রাসার সুপারেন্ট মাওঃ জুলফিকার আলি মাদ্রাসার কোন আয় তিনি সাধারণ তহবিলে জমা করেন না। সাধারণ তহবিলে লেনদেন নেই।
দাখিল পরীক্ষার্থীদের বোর্ড কর্তৃক নির্ধারিত ফি অতিরিক্ত আদায় করে তা কলামনা ক্যাশ বই তে উত্তোলন করেন না।
মন্ত্রনালয়ের অডিট আসিলে অবাস্তব হিসাব মিলিয়ে উপস্থাপন করেন ।
তিনি মাদ্রাসার অর্ধবার্ষিক ও বার্ষিক পরীক্ষার ফি আদায়ের কোন প্রকার রশিদ ব্যবহার করেন না। মাদ্রাসার অনুকূলে টিউশন ফি অন্য শিক্ষকদের মধ্যে বন্টন না করে নিজেই আত্নসাৎ করেন। মাদ্রাসার অনুকূলে ফসলী জমির আয় নিজেই ভোগ কর। প্রতিষ্ঠানের কিছু শিক্ষকদের এক টানা ১/২ মাস ছুটি দিয়ে দেন পরে শিক্ষকগণ ফিরে আসলে স্বাক্ষর করাইয়া নেন । ঘটনা ক্রমে কোন কর্তৃপক্ষের নজরে গেলে নিজেই জাল সাক্ষর করেন এবং কিছু ছুটি দেখান । তার এটাই দূর্নীতির শেষ না , তিনি শিক্ষকদের মেডিকেল ছুটি রেজুলেশন না করেই পাশ করে বেতন ভাতা দিয়ে দেন । শিক্ষক অনুপস্থিত অথচ তিনি স্বজনপ্রীতি দেখাইয়া বেতন ভাতা করেন এবং নিজেই বেতন ফর্মে অন্য শিক্ষকের স্বাক্ষর জাল করেন । সুপারেন্টের দুর্নীতি আকাশ ছোয়া , তিনি আয় ব্যায় সমন্বয় না করে ভুয়া খরচ দেখাইয়া বিভিন্ন মাসের বিল বেতন থেকে শিক্ষকদের নিকট থেকে চাদা আদায় আসছে । অথচ ছাত্রীদের কমনরুম, টয়লেট, শিক্ষকদের আলাদা টয়লেট বা ছাত্রদের আলাদা টয়লেট ব্যবস্থা নেই। আর শিক্ষার মান উন্নয়নের ক্ষেত্রে ক্লাস রুটিনে অষ্টম নবম এবং দশম শ্রেণীর আই সি টি বিষয়ের ক্লাস না রেখে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের ডিজিটাল প্রযুক্তি শিক্ষা থেকে বঞ্চিত করেছে। তাহার আরো দুর্নীতি প্রকাশ পায়, শিক্ষার মান উন্নয়নের ক্ষেত্রে মন্ত্রনালয়ে থেকে নির্ধারিত ক্লাস পরিচালনার সময় সিমা ত্রিশ মিনিট কমিয়ে, প্রতিষ্ঠান আড়াই টায় ছুটি দিয়ে দেন। সুপার সাহেব ক্লাস রুটিনে নিজের কোন ক্লাস রাখেননি এটাও একটা দুর্নীতি। তিনি নিজে অনিয়মিত মাদ্রাসায় আসেন, এবং এক নাগারে সব স্বাক্ষর করে নেন । তিনি শিক্ষকদের মধ্যে দলাদলি করে ছাত্র ছাত্রীদের ভূল তথ্য দিয়ে শিক্ষক শিক্ষিকাদের বিরুদ্ধে ছাত্র ছাত্রীদের ক্ষেপিয়ে তুলে পাঠদানের পরিবেশ নষ্ট আছসেন। একজন শিক্ষিকা এর ভূক্তভোগী, আসলে কি একজন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানের এধরনের নেক্কারজনক কাজ কতটুকু যুক্তিসংগত ? তিনি দাখিল পরিক্ষা 2023 পরীক্ষার্থীদের ব্যবহারিক পরিক্ষায় অধিক নাম্বার দেওয়ার প্রলোভন দেখাইয়া ৪00 টাকা করে আদায় করেছেন এক একজনের কাছ থেকে। আবেদনকারী সুপারেন্টের দুর্নীতি বন্ধ করে সঠিক নিয়মে মাদ্রাসা পরিচালনা করার জন্য আবেদনে জোড় দাবী করেন জেলা শিক্ষা অফিসারের বরাবর। এবং সুপারেন্টের বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ তদন্তপূর্বক তাহারা যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য জোড় দাবী করেন ।

পোস্টটি শেয়ার করুনঃ