নিজস্ব প্রতিবেদক

তীব্র কাঠফাটা রোদের মধ্যে আলমডাঙ্গা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের ছোট্ট ছোট্ট ছাত্রছাত্রীদের দিয়ে রোদের মধ্যে খোলা আঁকাশের নিচে বসিয়ে ডিজিটাল প্রযুক্তি পরীক্ষা নেয়া হয়।

স্কুলের প্রধান শিক্ষক “রবিউল ইসলাম খান,,চাইলেই ক্লাসরুমে ফ্যানের নিচে বসিয়ে ছাত্রছাত্রীদের পরীক্ষা নিতে পারতেন।কিন্তু সেটা না করে তিনি বলেন প্রধানমন্ত্রী বলেছেন ক্লাসরুমে পড়ানো যাবেনা মাঠে বসিয়েই পড়াতে হবে।

পরবর্তীতে এলাকাবাসীর সহযোগীতায় অন্যাঅন্য শিক্ষার্থীর অভিভাবকদের সাথে সমন্বয় করে সাবেক মহিলা কাউন্সিলর আওয়ামীলীগ এর সহযোগী সংগঠনের নেত্রী সামসাদ রানু চমৎকার একটা স্টেপ নিয়ে প্রতিবাদ করলে,, ছাত্রদের ক্লাসরুমে ঢুকিয়ে ডিজিটাল প্রযুক্তি পরীক্ষা নেয়া হয়।

আওয়ামীলীগ সমর্থীত নেত্রী সামসাদ রানু শুধুমাত্র তার সন্তানের জন্য প্রতিবাদ করেনি। স্কুলে উপস্থিত থাকা সকল ছাত্রছাত্রীদের শারীরিক সুস্থতা রাখার জন্য প্রতিবাদ করেছিলেন।

প্রচন্ড গরমের জন্য সারাদেশে যখন মাধ্যমিক বিদ্যালয় বন্ধ গোষণা করা হয়। তখন বহাল তবিয়াতে কাঠফাটা রোদে বসিয়ে পরিক্ষা নিয়েছেন শিক্ষক রবিউল ইসলাম।তখন সারাদেশে সংবাদমাধ্যমগুলো বিশেষ করে টেলিভিশনে একের পর এক নিউজে আসছে,,আমরা সবাই দেখছি প্রতিদিন দেশের বিভিন্ন জায়গার বিভিন্ন স্কুলে ছাত্রছাত্রীরা কিভাবে হিট স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছে।

তখন কুমিল্লার কোনো এক স্কুলে ১৮ জন পরীক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এটা নিউজ সম্প্রচারে দেশের সবাই দেখছে।

শিক্ষার্থীরা প্রচন্ড গরমের মধ্যে পরীক্ষা দিতেও চাইছিলনা।
তখন প্রচন্ড গরমে ছোট-বড় সবার অবস্থা ভিষন খারাপ যাচ্ছিলো।একজন অভিভাক হিসাবে সামসাদ রানু চেয়েছিলো ছোট ছোট বাচ্চাগুলোর শারিরীক অবস্থা ঠিক রাখতে,,তারা যাতে অসুস্থ না হয়ে যায় সেটা নিশ্চিত করতে,, একজন অবিভাবকের জায়গায় দাড় করিয়ে তার প্রতিবাদের মূল্যায়ন না করে,, শিক্ষক রবিউল অশুভ শক্তি প্রয়োগ করে মিথ্যা মামালা রজু করে পাঠিয়ে দিলেন অভিভাবকদের মধ্যে অন্যতম সামসাদ রানু কে জেল হাজতে।
বিষয়টি চুড়ান্ত তদন্ত পর্যবেক্ষণ পূর্বক দোষী ব্যাক্তিদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্ত মুলক শাস্তিদিতে প্রশাসনের আশুহস্থক্ষেপ কামনা করেন ভুক্তভোগী সামসাদ রানু ও হাজারো শিক্ষার্থীর অভিভাবক ও এলাকাবাসী আমজনতা।

পোস্টটি শেয়ার করুনঃ