মোঃ কামাল হোসেন, বিশেষ প্রতিনিধি

অভয়নগরে সংবাদ প্রকাশের পর…… ভূতুড়ে বিদ্যুৎ বিলের হাত থেকে মুক্তি পেল কৃষক।
জাতীয় দৈনিক ও আঞ্চলিকসহ বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের ভিত্তিতে যশোর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ কর্তৃপক্ষের নির্দেশে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির নওয়াপাড়া জোনাল অফিস থেকে ওই কৃষকের বিদ্যুৎ বিলের কপি সংশোধন করে দেয়া হয়েছে। রোববার সকালে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ডিজিএম আব্দুল্লাহ আল মামুন তার অফিসের এক কর্মচারীকে দিয়ে গ্রাহকের ব্যবহৃত ৫০ইউনিটের মূল্য বাবদ ২৫৩টাকার নতুন বিলের একটি কপি বিদ্যুৎ গ্রাহক কৃষক খোকন মন্ডলের বাড়িতে পৌঁছে দেন। এসময় পুরাতন ১৫হাজার ৫০ ইউনিটের ২লাখ ১৬হাজার ৮২০টাকার ভৌতিক বিলের কপিটি ফেরত আনেন। উপজেলার ডহর মশিহাটি গ্রামের নিমাই মন্ডলের ছেলে খোকন মন্ডলের নামে ০০০০৫০৮৫ নম্বরধারী আবাসিক মিটারে এই বিপুল পরিমাণ টাকার অংকের হিসাব দেখানো হয়েছিল। যার হিসাব নং ৫৩১-১৯০০। বিষয়টি সম্পর্কে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির নওয়াপাড়া জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, কম্পিউটার অপারেটর এন্ট্রি করতে ভুল করায় এমনটি হয়েছে। বিল সংশোধন করে গ্রাহকের বাড়িতে পৌঁছে দেয়া হয়েছে। উল্লেখ যশোর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি ২-এর আওতাধীন নওয়াপাড়া জোনাল অফিস কতৃপক্ষের খামখেয়ালির কারণে এক কৃষকের নামে ভৌতিক বিল দাখিল করা হয়। জুন মাসের সরবরাহকৃত বিলের কপিতে একটি আবাসিক মিটারে ব্যবহৃত বিলের পরিমাণ দেখানো হয়েছে দুই লাখ ১৬ হাজার ৮২০ টাকা। ওই বিলের কপি হাতে পেয়ে কৃষকের মাথায় যেন আকাশ ভেঙে পড়েছে।
উপজেলার ডহর মশিহাটি গ্রামের নিমাই মণ্ডলের ছেলে খোকন মণ্ডলের নামে ০০০০৫০৮৫ নম্বরধারী আবাসিক মিটারে এই বিপুল পরিমাণ টাকার অংকের হিসাব দেখানো হয়েছে। যার হিসাব নং ৫৩১-১৯০০। ওই মিটারে গত মে মাসে ৪০ ইউনিট বিদ্যুৎ খরচ করে তিনি ২৩০ টাকা পরিশোধ করেছেন। অথচ জুন মাসে বিদ্যুতের খরচ দেখানো হয়েছে ১৫ হাজার ৫০ ইউনিট, যার টাকার পরিমাণ দুই লাখ ১৬ হাজার ৮২০ টাকা। ফলে বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন দৈনিক জাতীয় ও আঞ্চলিক পত্রিকায় নিউজ প্রকাশিত হলে কতৃপক্ষের টনক নড়ে। যে কারণে ওই ভূতুড়ে বিদ্যুৎ বিল সংশোধন করে প্রকৃত বিদ্যুৎ বিলের কপি ওই কৃষকের কাছে দিয়ে আসে কতৃপক্ষ।

পোস্টটি শেয়ার করুনঃ