মোঃ কামাল হোসেন, বিশেষ প্রতিনিধি:
যশোরের অভয়নগরে খুলনা-যশোর মহাসড়কে যানজটের কবলে সাধারণ মানুষ। কারণ, মহাসড়কের দু’পাশে অনিয়মতান্ত্রিক ভাবে ট্রাক পার্কিং করে রাখার জন্য যানজট লেগেই থাকে যা দেখার কেউ নেই। প্রশাসন নির্ধারিত পার্কিং এর স্থানে গাড়ি পার্কিং করতে হবে। কেউ যদি নিয়ম বহির্ভূতভাবে গাড়ি পার্কিং করে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ নিতে হবে। কিন্তু অভয়নগরে দেখা যায় ভিন্নচিত্র, শ’শ ট্রাক সরকারের আইনকে বৃদ্ধাংগুলি দেখিয়ে অনিয়মভাবে ট্রাক পার্কিং করে রাস্তা ব্যারিকেড দিয়ে রাখে দিনের পর দিন, নেওয়া হয়না কোন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ থেকে আইনী পদক্ষেপ। ফলে, দীর্ঘ যানজটের কবলে পড়ে নাজেহাল হচ্ছে দূরদূরান্ত থেকে ছুটে আসা সাধারণ মানুষ। যাত্রীবাহী বাস দীর্ঘ সময় যানজটের কবলে পড়ে দাড়িয়ে থাকতে দেখা যায়, যাত্রীরা সকলে নাজেহাল হয়ে পড়লেও যানজট মুক্ত করার উদ্যোগ গ্রহনের কোন কার্যকরী পদক্ষেপ চোখে পড়েনা। অনুসন্ধান করতে গিয়ে দেখা যায়, মহাসড়কে হাজার হাজার অবৈধ যানবাহনের ছড়াছড়ি। অবৈধ ইজিবাইক, থ্রী-হুইলার, নছিমন, করিমনের বেপরোয়া চলাচলের কারণেও যানজটের সৃষ্টি হয়। অথচ ওই সব অবৈধ যানবাহনে সরকারের পক্ষ থেকে মহাসড়কে চলাচলের উপর নিষেধাজ্ঞা থাকলেও দেধারছে ওইসব অবৈধ যানবাহনে মহাসড়ক সয়লাব। ফলে, মহাসড়ক যানজট মুক্ত হওয়ার কোন পথ নেই। আরো জানা গেছে, অবৈধ যানবাহন চলাচলের জন্য নওয়াপাড়া হাইওয়ে থানা পুলিশ মাসিক মাসোহারায় তুষ্ট হয়ে ওইসব যানবাহনের বিরুদ্ধে কোন আইনগত পদক্ষেপ গ্রহন করেনা। ফলে, সাধারণ মানুষের ভোগান্তির শেষ হচ্ছেনা। একাধিক ইজিবাইক চালকের সাথে কথা বলে জানা গেছে, একটা ইজিবাইক থেকে হাইওয়ে পুলিশ ৬০০টাকা করে মাসিক চাঁদা আদায় করে নির্ধারিত টোকেন সরবরাহ করে থাকে। ফলে, নির্ভিগ্নে ওই সব অননুমোদিত ইজিবাইক মহাসড়কে চলাচল করে। অনতিবিলম্বে অভয়নগরের যশোর- খুলনা মহাসড়ক যানজট মুক্ত করতে কার্যকরী পদক্ষেপ নিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দাবি করেছেন সচেতন মহল। এবিষয়ে নওয়াপাড়া হাইওয়ে থানার ওসি হামিদ উদ্দিন বলেন, যানজট মুক্ত করতে আমাদের টিম নিয়মিত কাজ করে যাচ্ছেন এবং সকল মালিকপক্ষকে বলা হয়েছে রাস্তার পাশে গাড়ি পার্কিং করা যাবেনা এবং কেউ অনিয়ম করলে তাদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা করা হচ্ছে। অননুমোদিত ইজিবাইক থেকে মাসে ৬০০ টাকা করে চাঁদা আদায় করা হয় কিনা এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, এবিষয়ে আমার কিছু জানা নেই, তবে যারা ওই গাড়িগুলো নিয়ন্ত্রণ করে তারা টাকা গ্রহন করে কিনা আমি বলতে পারবোনা।

পোস্টটি শেয়ার করুনঃ