বুধবার, ১০ আগস্ট,২০২২

৯ মাসের অন্তঃসত্ত্বা নারীকে মারধরের ঘটনার সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে এবার সংবাদে পরিনত হয়েছেন সাংবাদিকেরা।
সংবাদ সংগ্রহের সময় ভুক্তভোগী ও প্রত্যাক্ষদর্শীদের বক্তব্য নেওয়ার মূহুর্তে অতর্কিত নির্মম হামলার শিকার ভুক্তভোগী গর্ভবতী নারী সহ নিরীহ সংবাদকর্মীরা।
এলাকাবাসী সকলের সামনেই পরিবারের সদস্য ও বহিরাগত সন্ত্রাসীর ধারা দফায় দফায় ৯ মাসের অন্তঃসত্ত্বা নারীকে বিবস্ত্র করে করা হয়েছে প্রচন্ড মারধর। এসময় ইচ্ছাকৃতভাবে পা দিয়ে আঘাত করা হয়েছে তার পেটে,এতে আশংকা রয়েছে গর্বের সন্তানটি নষ্ট হওয়ার।

নগরীর বন্দর থানার পাশ্ববর্তী, ৩নং ডিপো গেইটের বিপরীতে, হাজী বিরানী গল্লি, হামিদ আলী সওদাগরের বাড়ির নুরুল আমিন লেদুর ছকিনা মন্জিলের পার্কিংয়ে ৮ আগষ্ট (সোমবার) বিকেলে এই নেক্কার জনক ঘটনাটি ঘটে। এমন কর্মকান্ডে যেন পুরো প্রশাসনই এখন প্রশ্নবিদ্ধ।

ভুক্তভোগী শাহেদ আমিনের আপন ভাই সোহেল আহমেদ সেলিম ও রাশেদ আমিন সহ তার ভাবীরা ও প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটিতে পড়ুয়া ভাতিজি নিকির হাতে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে নির্মম হামলার শিকার অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী বিবি জহুরা মুক্তা ও তার বোন। এ নিয়ে থানায় বারবার গিয়েও অদৃশ্য কারনে মামলা করতে পারেনি ভুক্তভোগী। তাদের মতে, বড় ভাই সেলিমের অবৈধ টাকার মাধ্যমে প্রভাবিত করা হচ্ছে থানা পুলিশকে মামলা না নিতে।

এদিকে বহিরাগত সন্ত্রাসীদের দ্বারা একেরপর এক হামলা ও নির্যাতনের শিকার হয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যে ভুগছেন সন্তান সহ স্বামী ও স্ত্রী। নিজেদের নিরাপত্তা চেয়েও এখনো পর্যন্ত কোন সহায়তা না পাওয়ার দাবী শাহেদ আমিনের।

প্রশাসনের এমন নিরবতায় তিব্র ক্ষোভের বিস্তার করছে এলাকাটিতে। তাদের মতে যেকোন একটি অপ্রীতিকর ঘটনার জন্য অপেক্ষা করছে প্রশাসন। সিসিটিভি ফুটেজে প্রকৃত দোষীদের সনাক্ত করার পরও থানা পুলিশ কর্তৃক কোন কঠোর ব্যবস্থা না নেওয়ার ফলে ঘটেছে আজকের এই ঘটনা।

সংবাদকর্মী ও অন্তঃসত্ত্বা নারীকে হামলার সময় বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ জাহেদুল কবিরক এর সাথে মুঠোফোনে ঘটনাস্থলের পরিস্থিতি বলার পর তিনি দ্রুত ব্যবস্থা নিচ্ছে বলে সংবাদকর্মীদের নিরাপদ দূরত্বে সরে যেতে বলেন।

পোস্টটি শেয়ার করুনঃ